সর্বশেষ পোস্ট:
print this page
Showing posts with label কম্পিউটার বেসিক. Show all posts
Showing posts with label কম্পিউটার বেসিক. Show all posts

আপনর কমিপউটারের রিছাইকেল বিন খালি হচ্ছে না দেখে নিন এর সমাধান।

অনেক সময় আমাদের কম্পউটারের রিছাইকেল বিন খালি করতে গেলে এই ধরনের সমস্যা হয়ে খাকে ।যখন আমরা রিসাইকেল বিন খালি করতে গিয়ে ‘আনেবল টু এম্পটি উইন্ডোজ রিসাইকেল বিন বিকজ রিসাইকেল বিন ইজ নট এম্পটি’ এরকম নোটিশ দেখায় তখন যা যা করা উচিত জেনে নিন এক্ষনিঃ

  • আপনার কম্পিউটার সেফ মোড এ নিয়ে গিয়ে রিসাইকেল বিন খালি করুন। তারপর রিস্টার্ট দিয়ে আবার নর্মাল মোড এ চলে যান।
  • এভাবে যদি না হয় তাহলে বুঝবেন আপনার হার্ড ডিস্ক এ সমস্যা আছে সেজন্য আপনি আপনার ডিস্ক চেক করতে পারেন এবং সকল ব্যাড সেক্টর ঠিক করতে পারেন। তারপর আপনার রিসাইকেল বিন খালি করার চেষ্টা করে দেখতে পারেন।
  • আপনি যেই ফাইলটি রিসাইকেল বিন এ আটকে রয়েছে সেই ফাইলটি রিস্টোর করে দেখতে পারেন। রিস্টোর করার আগে ডাইরেকটরি চেক করে নিবেন। রিস্টোর করার পর সেই ফাইল এ যান তারপর সেখান থেকে আপনার কীবোর্ড এর shift বাটন চেপে delete এবং enter চাপুন। আশাকরি ফাইল ডিলিট হয়ে যাবে।
  • আপনার যেই ফাইলটি ডিলিট করতে যাচ্ছেন সেই ফাইলটির যদি কোন প্রোগ্রাম রান করা থাকে তাহলে নাও ডিলিট হতে পারে। তাই সেই ফাইল এর কাজ কি ছিল তা বুঝে চেষ্টা করুন। যদি কোন প্রোগ্রাম এর হয়ে থাকে তাহলে সেই প্রোগ্রাম ক্লোজ করে তারপর খালি করার চেষ্টা করুন।
  • আপনি ইচ্ছা করলে ব্যাকআপ ব্যাবহার করেও এই সমস্যার সমাধান করতে পারেন। তবে এটা নির্ভর করবে সম্পূর্ণ আপনার উপর।
  • আবার আপনি ফাইল রিস্টোর করে সেই ড্রাইভ সম্পূর্ণ খালি করে সম্পূর্ণ ড্রাইভ ফরম্যাট দিয়ে দেখতে পারেন। 

যদি উপরের কোন পদ্ধতি কাজে না দেই তাহলে আপনার মূল্যবান ফাইল সরিয়ে নতুন করে অপারেটিং সিস্টেম দিয়ে দেখতে পারেন অথবা আপনার কাছের কোন রিপেয়ার সেন্টার এ যেতে পারেন।
আজ এই পর্যন্তই  সবাই কে ধন্যবাদ 










আপনার কম্পিউটার এর speed বাড়াতে জেনে নিন কিছু টিপস

অনেক সময় আমাদের কম্পিউটার খুব slow কাজ করে। আর সেটা খুব বিরক্তিকর লাগে।তবে এই বিরক্তি দূর করার জন্য আছে কিছু টিপস।ভাবছেন আমি মজা করছি,না আমি মজা করসি না।তাহলে কেন বিরক্তি দূর করার টিপস বললাম?এটাই হয়তো চিন্তা করছেন।আপনার slow কম্পিউটারকে যদি একটু fast করা যায় তাহলে কি আপনার বিরক্তি দূর হবে না?আশা করি হবে।তাহলে এবার জেনে নেওয়া যাক কম্পিউটার এর speed বাড়ানোর কিছু টিপস…


টিপসঃ
১। কিছু সময় পরপর Start থেকে Run-এ ক্লিক করে tree লিখে ok করুন এতে র‌্যামের কার্যক্ষমতা বাড়ে।
২। Ctrl + Alt + Delete চেপে বা টাস্কবারে মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে Task Manager খুলুন।তারপর Processes-এ ক্লিক করুন।অনেকগুলো প্রোগ্রাম-এর তালিকা দেখতে পাবেন। এর মধ্যে বর্তমানে যে প্রোগ্রামগুলো কাজে লাগছে না সেগুলো নির্বাচন করে End Process-এ ক্লিক করে বন্ধ করে দেন। যদি ভুল করে কোনো প্রোগ্রাম বন্ধ করে দেন এবং এতে যদি অপারেটিং সিস্টেম এর কোন সমস্যা হয় তাহলে কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন।
৩। কম্পিউটারের র‌্যা ম কম থাকলে কম্পিউটার ধীর গতির হয়ে যায়। ভার্চুয়াল মেমোরি বাড়িয়ে কম্পিউটার গতি কিছুটা বাড়ানো যায়। ভার্চুয়াল মেমোরি বাড়ানোর জন্য প্রথমে My computer-এ মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে properties-এ যান। এখন Advance-এ ক্লিক করে performance এর settings-এ ক্লিক করুন। আবার Advance-এ ক্লিক করুন। এখন change-এ ক্লিক করে নতুন উইন্ডো এলে সেটির Initial size ও Maximum size-এ আপনার ইচ্ছামত size লিখে set-এ ক্লিক করে ok দিয়ে বেরিয়ে আসুন। তবে Initial size-এ আপনার কম্পিউটারের র‌্যা মের size-এর দ্বিগুন এবং Maximum size-এ র‌্যা মের size-এর চারগুন দিলে ভাল হয়।
৪। কন্ট্রোল প্যানেলে যান। Add or Remove-এ দুই ক্লিক করুন। Add/Remove windows components-এ ক্লিক করুন। নতুন যে উইন্ডো আসবে সেটির বাম পাশ থেকে অদরকারি প্রোগ্রামগুলোর পাশের টিক চিহ্ন তুলে দিন। তারপর Accessories and Utilities নির্বাচন করে Details-এ ক্লিক করুন। নতুন যে উইন্ডো আসবে সেটি থেকে যে প্রোগ্রামগুলো আপনার কাজে লাগে না সেগুলোর টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে OK করুন। এখন next-এ ক্লিক করুন।Successful meassage আসলে Finish-এ ক্লিক করুন।
আশা করি এটা আপনাদের কাজে আসবে। ধন্যবাদ।

কম্পিউটার সমস্যা ও সমাধান






সমস্যা : ল্যাপটপ চালু করার কয়েক মিনিট পর মাউস নিজ থেকেই ওপর-নিচ ও ডানে-বাঁয়ে চলে যায়। ইন্টারনেট থেকে এভাস্ট অ্যান্টিভাইরাস ডাউনলোড করে ল্যাপটপে কোনো ভাইরাস খুঁজে পাইনি।
পিন্টু, রাঙামাটি

– সমাধান : আপনি সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ করে আবার অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করুন। এ ছাড়া বাজারে প্রচলিত উন্নতমানের লাইসেন্স করা অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করে কম্পিউটারকে ভাইরাসমুক্ত করুন।
সমস্যা : আমি জিমেইল কম্পোজ মেইল মেসেজ বক্সে সরাসরি ইংরেজি লিখতে পারলেও বাংলা লিখতে পারছি না। আমাকে এমএসওয়ার্ডে বাংলা লিখে কপি করে জিমেইলের কম্পোজ মেইল মেসেজ বক্সে পেস্ট করে বাংলায় মেইল লিখতে হয়।
মোশতাক মেহেদী, ডি/৩৯৩, হাউজিং এস্টেট, কুষ্টিয়া

– সমাধান : ই-মেইলে অনেক সময় বাংলা ফন্ট সাপোর্ট করে না। এ জন্য আপনাকে আলাদা করে এমএসওয়ার্ডে বাংলা টাইপ করে মেসেজ বক্সে পেস্ট করতে হবে।
সমস্যা : আমি পেন্টিয়ামের ডুয়েল কোর ২.৯৩ গিগাহার্জ প্রসেসরচালিত কম্পিউটার ব্যবহার করি। আমার কম্পিউটার চালু করলে ডেস্কটপ ঠিকমতো প্রদর্শন করে কিন্তু পাসওয়ার্ড ব্যবহার করলেই হ্যাং হয়ে যায়।
ই-মেইল : md.niaymorshedkhan@yahoo.com

– সমাধান : আপনার কম্পিউটার থেকে স্ক্যানডিস্ক ব্যবহার করে অপ্রয়োজনীয় ফাইলগুলো মুছে ফেলুন। এ ছাড়া নিয়মিত অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করে কম্পিউটারকে ভাইরাসমুক্ত রাখতে হবে।
সমস্যা : আমি সাউন্ড ব্লাস্টার লাইভ ৫.১ পিসিআই সাউন্ড কার্ড ব্যবহার করি। কিন্তু উইন্ডোজ ৭ অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহারের সময় সাউন্ড কার্ডটি সমর্থন করছে না। এমনকি সাউন্ড কার্ডটির সিডি ড্রাইভারও ইনস্টল হচ্ছে না।
নীরব আল মামুন, মাসুমপুর, সিরাজগঞ্জ

– সমাধান : আপনার নতুন করে অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করার সময় সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ করে সাউন্ড কার্ড ইনস্টল করুন।
সমস্যা : আমি সিআরটি মনিটর ব্যবহার করি। কম্পিউটারে কাজ করার সময় কিছুক্ষণ পর পর মনিটর নিজ থেকে বন্ধ হয়ে যায়। তবে পুনরায় কম্পিউটার চালু করলে মনিটর চালু হয়।
ই-মেইল : md.tanbirsf@gmail.com

– সমাধান : মনিটরে সমস্যা রয়েছে। নিজ থেকে মনিটর মেরামত সম্ভব নয় বলে আপনি সার্ভিস সেন্টারে মনিটরটি নিয়ে যান।

আপনার কম্পিউটারের Hang সমস্যা সমাধান করুন।

কেমন আছেন সবাই, আশা করি ভাল আছেন ৷  আমাদের অনেকেরই কম্পিউটার মাঝে মাঝে hang করে এবং restart ছাড়া ঠিক হয় না।তাই আজ আমি আপনাদের জন্য এই tune টি নিয়ে এলাম ।আজ আমি আপনাদের দেখাবো কিভাবে কম্পিউটার Hang সমস্যা সমাধান করা যায়। একদম এ সহজ।
 তাহলে চলুন কাজ শুরু করা যাক।


১। start Menu থেকে Run এ যান।
২। regedit এবং Enter চাপুন
৩। Hkey_Current_User এ ডাবল ক্লিক করুন।
৪। Control Panel এ ডাবল ক্লিক করুন।
৫। Desktop এ ডাবল ক্লিক করুন।
 ৬। auto end task এ ডাবল ক্লিক করুন।
৭। Value Data  হিসেবে 0 এর পরিবর্তে 1 লিখে OK  ক্লিক করে বের হয়ে আসুন ।


আশা করি আপনার কম্পিউটার আর hang করবে না ।

উইন্ডোজ প্রোগ্রাম স্টপ রেসপন্ডিং (Stop Responding) দেখায় কেন?_____সমাধান নিন

কম্পিউটার, অপারেটিং সিস্টেম, সফ্টওয়্যার প্রোগ্রাম বা ড্রাইভার রেসপন্ড করা বন্ধ করে দিতে পারে। এর বিভিন্ন কারন রয়েছে। যেমন, দুট সফ্টওয়্যার বা হার্ডওয়্যার এর মধ্যে কোন দ্বন্দ্ব তৈরি হলে, সিস্টেমে রিসোর্সের অভাব হলে। স্টপ রেসপন্ডিং (Stop Responding) থেকে মুক্তি পেতে হলে Ctrl + Alt + Del চাপুন
ফলে টাস্ক ম্যানেজার এর একটি ডায়ালগ বক্স আসবে। যে প্রোগ্রামটি চলা বন্ধ করেছে সেটি নির্বাচন করুন। এবং  “End Task” বাটনে ক্লিক করুন। যদি আরও একটি উইন্ডো চালু হয় তবে প্রোগ্রামটি বন্ধ নিশ্চিত করতে “End Task” বাটনে আবার চাপুন



নোট: এটা মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে, যখন একটি প্রোগ্রাম রেসপন্ড করা বন্ধ করে দেয় এবং টাস্ক ম্যানেজারের মাধ্যমে ক্লোজ করা হয় তখন কোন কা্জ্ সেভ করা থাকে না।


................................ধন্যবাদ সবাইকে  ...........................

কম্পিউটার বেসিক: অপারেটিং সিস্টেম ও প্রাথমিক ধারণা

সবাই কেমন আছেন? আশাকরি ভালো আছেন। কম্পিউটার এর ব্যবহার দিন দিন বেড়ে চলছে। প্রয়োজন ও গুরুত্ব কোনোটারই কমতি নেই। কথাগুলো পুরোনো তবে কথা সত্যি। আবার এ ও সত্যি যে এ সম্পর্কে অনেকেরই অজ্ঞতা রয়েছে। আমার পোস্টের উদ্দেশ্য হলো প্রযুক্তি সম্পর্কে সবা্র জ্ঞান বৃদ্ধি পাক। কম্পিউটার এ বেসিক বিষয়গুলো নিয়ে আমি প্রায় দশ থেকে বারটা বিষয় এ আলোচনা করবো। তাহলে আসুন শুরু করা যাক-



অপারেটিং সিস্টেম কী ?
অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটার এর একটি গুরুত্বপূর্ণ সফটওয়্যার যা কম্পিউটারকে চালাতে ও সচল রাখতে সাহায্য করে। এটি কম্পিউটার এর সৃতি ও ধারন ক্ষমতাকে ব্যাবহার করে কম্পিউটার চালাতে ,সচল রাখতে এবং পরিছালনা করতে সাহায্য করে। এটি আবার কম্পিউটার ব্যাবহার করতে আরও অনেক সহজুগিতা করে। উধাহরনঃ সাধারণত আমরা কম্পিউটার এর ভাষা বুঝি না তাই ইন্টারন্যাশনাল ভাষা ব্যাবহার করে খুব সহজে আমরা এটিকে কন্ট্রোল করতে পারছি।


উইন্ডোজ চালু হওয়ার পর স্ক্রিন ভিউ

অপারেটিং সিস্টেম এর কাজ
আমরা যারা কম্পিউটার চালাই তারা অবশ্যয় বুট নামক শব্দটি শুনেছি। কিন্তু আপনি জানেন কি এটি কি কাজে সাহায্য করে?
১. এটি অপারেটিং সিস্টেম কে সচল করতে সাহায্য করে।
২. এটি নতুন ও পুরাতন সকল হার্ডওয়্যারকে পরিচালনা করে।
৩. এটি কম্পিউটার এর সকল কিছু পরিক্ষা করে যে সঠিকভাবে কাজ করছে কি না।

যখন একটি কম্পিউটার চালু করা হয় তখন তার প্রয়োজনীয় সকল হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার সচল ও বন্ধ করতে কাজ করে। যে সময় যে সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার লাগবে তা সঠিক সময় নির্দেশ করে। তাহলে বুজতেই পারছেন অপারেটিং সিস্টেম ছাড়া কম্পিউটার অচল।


অপারেটিং সিস্টেম এর ধরন

অপারেটিং সিস্টেম সাধারনত ৩ধরনের হয়। উইন্ডোজ , ম্যাক ওএস এবং লিনাক্স
উইন্ডোজ
মাইক্রোসফট উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ১৯৮০ সালের মাঝামাঝির দিকে তৈরি হয়। বছরের পর বছর তারা বিভিন্ন ধরনের উইন্ডোজ ও এর উন্নয়ন এর কাজ করে যাচ্ছে যা বর্তমানে উইন্ডোজ ৮ এ রুপান্তিরত হয়েছে। বর্তমানে এটি সবচেয়ে জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম।




ম্যাক ওএস
মেক ওএস তৈরি করেছেন বর্তমান সর্বশ্রেষ্ঠ আই ফোন নিরমfতা অ্যাপেল। এটি ও উইন্ডোজ এর মত ধারাবাহিকতায় বর্তমানে মউন্টেন লায়ন এ পরিনত হয়েছে। এটি ও তেমনভাবে সাড়া পাচ্ছে।




লিনাক্স               
লিনাক্স একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম যা বিশ্বের যেকোন ব্যক্তি দ্বারা বিতরণ করা সম্ভব নয়। এটি শুধুমাত্র এটার (মাইক্রোসফট) মালিক যে কোম্পানীর দ্বারা সংশোধন করা যেতে পারে, যা উইন্ডোজ, যেমন প্রোপ্রাইটরি সফটওয়্যার থেকে ভিন্ন.



আজ এই পর্যন্ত দেখাহবে আবার আগামী পর্বে আরো নতুন কিছু নিয়ে । আর ততক্ষণ সবাই ভালো থাকবেন ।
সবাই কে অনেক ধন্যবাদ





 
Copyright © 2016. টেক ডট বিডি - All Rights Reserved
Powered by SCS