সর্বশেষ পোস্ট:
print this page
Showing posts with label হ্যাকিং. Show all posts
Showing posts with label হ্যাকিং. Show all posts

হ্যাকারদের হাত থেকে এটিএম কার্ড ও ব্যাংক অ্যাকাউন্ট রক্ষা করার উপায়

এটিএম স্কিমার হ্যাকার হলো এটিএম বুথে বিপদজ্জনক ডিভাইসের মাধ্যমে সংঘটিত অপরাধের অপরাধী। সারাবিশ্ব জুড়ে এটিএম স্কিমার একটি নতুন আতঙ্কের নাম। এই ধরনের হ্যাকার রা এটিএম বুথে বিভিন্ন ডিভাইস স্থাপনের মাধ্যমে গ্রাহকদের এটিএম কার্ডের পিন নাম্বার নিয়ে নেন এবং তার মাধ্যমে টাকা চুরি করেন হ্যাকাররা।


কিভাবে এটিএম স্কিমাররা তাদের অপরাধ সংগঠিত করে থাকেন?

একজন এটিএম স্কিমার বিশেষত দুটি কম্পোনেন্ট ব্যবহার করে থাকেন। প্রথম কম্পোনেন্টটি তারা এটিএম কার্ডের স্লটের ভেতরে প্রবেশ করিয়ে দেন। যখন আপনি আপনার এটিএম কার্ডটি স্লটের ভেতরে প্রবেশ করান তখন এটি আপনার কার্ডের বিস্তারিত তথ্য কপি করে নেয়। কার্ডটি স্লটের ভেতরে প্রবেশ করে তা দেখতে একেবারেই স্বাভাবিক একটি প্রক্রিয়া মনে হয়ে থাকে। কিন্তু এর মধ্যেই আপনার কার্ডের যাবতীয় তথ্য ডিভাইসটির ম্যাগনেটিক স্ট্রিপে কপি করে নিয়েছে। আর দ্বিতীয় কম্পোনেন্টটি হলো একটি ক্যামেরা। এই ক্যামেরাটি এমন একটি জায়গায় স্থাপিত হয়ে থাকে যেন তা এটিএম স্লটের কিপ্যাডটি ভালোভাবে ধারন করতে পারে। এর ফলে গ্রাহকদের পিনকোডটি ধারণ করা সম্ভবপর হয়। পরবর্তীতে এটিএম স্কিমাররা এই এই দুটি কম্পোনেন্টের সকল তথ্যকে ব্যবহার করে নকল কার্ড তৈরি করে এবং তা দিয়ে বিভিন্ন এটিএম বুথ থেকে টাকা তুলে নেয়। দিনকে দিন এই ধরনের স্কিমাররা প্রযুক্তিগতভাবে আরো উন্নত হয়ে উঠছে। বর্তমানে তারা বিভিন্ন এটিএম স্লটের কিপ্যাডের উপর পাতলা একটি কাগজ বসিয়ে দিচ্ছে কিংবা নকল নাম্বারপ্যাড বসিয়ে দিচ্ছে। এই ধরনের কিপ্যাডের মধ্যে ব্লুটুথ ডিভাইস দেওয়া থাকে। এর মাধ্যমে গ্রাহকদের পিনকোড গ্রহণ করা সম্ভব। গ্রাহকরা এই ধরনের কিপ্যাড ধরতেই পারছে না। ফলে তারা এটিএম স্কিমারের শিকার হচ্ছে।

কিভাবে এটিএম স্কিমার ডিভাইস ধরতে পারেন?

আপনার ব্যবহৃত এটিএম বুথের স্লটটিতে কি কোন ধরনের স্কিমার ডিভাইস ব্যবহার করা হয়েছে তা কিছু ট্রিকস অনুসরণ করলে নিজেই বুঝতে পারবেন।
১. কার্ড রিডার স্লটে প্রবেশ কার্ড প্রবেশ করানোর সময় কার্ডটি যদি smoothly প্রবেশ না করে কিছুটা আটকে যায় তবে বুঝবেন এর ভেতরে স্কিমার ডিভাইস স্থাপন করা হয়েছে যা আপনার কার্ডের বাহ্যিক তথ্যগুলো ধারণ করবে। একটি ভালো কার্ডের স্লট হবে একবারে কার্ডের আকার অনুযায়ী স্বাভাবিক। সেখানে বহিরাগত কোন ডিভাইস প্রবেশ করালে তা কিছুটা সমস্যার সৃষ্টি করে।
২. আপনার কার্ডটি স্লট মেশিনে প্রবেশের পূর্বে ভালোভাবে দেখে নিন যে সেখানে অস্বাভাবিক কোন কিছু মনে হচ্ছে কি? কেননা আপনি নিয়মিত টাকা তুলে থাকলে আপনার নিকট এটিএম বুথটি বেশ পরিচিত থাকবে। কিন্তু সেখানে স্কিমার যদি কিপ্যাড পরিবর্তন করে কিংবা কিপ্যাডের উপর পাতলা কোন স্বচ্ছ কাগজ ব্যবহার করে থাকে তবে তা আপনার চোখে লাগবে।
৩. এটিএম বুথের ভেতরের কোন ধরনের অস্বাভাবিক ক্যামেরা ব্যবহার করা হয়েছে কি লক্ষ্য করুন। চারপাশটি ভালোভাবে দেখে নিন কোন কিছু কি আপনার চোখে অস্বাভাবিক লাগছে।

কিছু সতর্কতা মেনে চলুনঃ

১. এটিএম বুথ থেকে টাকা তুলতে গিয়ে কিপ্যাড ব্যবহারের সময় অপর হাত দিয়ে কিপ্যাডটি ঢেকে রাখুন এতে করে লুকানো ক্যামেরায় আপনার কোডটি ধারণ করা সম্ভবপর হবে না। তাছাড়া কিপ্যাডটি ভালোভাবে লক্ষ্য করুন। মনে রাখুন পুর্বের ট্রানজিকশনের সময় কি এই কিপ্যাডটিই ছিল কিনা।
২. নিয়মিত আপনার লেনদেনের হিসাব মনিটরিং করুন। আমাদের দেশে বিভিন্ন অনলাইন ব্যাংকিং তাদের গ্রাহকদের প্রতিটি ট্রাঞ্জিকশনের জন্য মোবাইল অ্যালার্ট দিয়ে থাকেন। এই সার্ভিসটি চালু রাখুন এতে করে আপনার অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা নিশ্চিত কর যাবে।

এটিএম বুথে ডাকাত ধরলে করনীয়

মনে করেন আপনাকে এটিএম বুথে ডাকাত ধরছে তখন আপনি কি করবেন ? ডাকাতের মার খাবেন নাকি পাসওয়ার্ড দেবেন ? অবশ্যই পাসওয়ার্ড দেবেন আমি হলেও পাসওয়ার্ড ই দিতাম কিন্তু একটু অন্য ভাবে ।সে জিনিসটািই আজ অাপনাদের সামনে আলোচনা করব । 
যখন অাপনাকে ডাকাত ধরবে আর পাসওয়ার্ড চাইবে তথন পাসওয়ার্ড দেবেন তবে সেটা আপনার পাসওয়ার্ড এর উল্টা করে । যেমন কারও পাসওয়ার্ড ১২৩৪ হলে ৪৩২১ এভাবে দেবেন । কারন উল্টা করে পাসওয়ার্ড দিলে প্রধান সার্ভারে এ্কটা বিপদজ্জনক সিগন্যাল যাবে । অার তারা অটোমেটিক আপনার অ্যাকাউন্ট  ব্লক করে দেবে। এভাবে আপনি পাসওয়ার্ড রক্ষা করতে পারেন। 
কেউ আর কোন উপায় জানলে অবশ্যাই কমেন্টের মাধ্যমে জানাবেন কারন অাপনার এ ছোট উপকারের মাধ্যমে বেচে যেতে পারে  যেকোন মানুষের মুল্যবান সম্পদ ।

হ্যাকিং থেকে রক্ষা পেতে Private Browsing

যাঁরা সাইবার ক্যাফে অথবা অফিসে অর্থাৎ নিজের ব্যক্তিগত কম্পিউটারের বাইরেও অন্য কোনো কম্পিউটার থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন, তাঁরা নিশ্চয় একটা দুশ্চিন্তায় থাকেন সব সময়। আর সেটা হলো নিজের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা। অনেক সময় দেখা যায়, আপনি হয়তো সাইবার ক্যাফেতে বসে ফেসবুক ব্যবহার করছেন অমনি বিদ্যুৎ চলে গেল, এদিকে আপনি ফেসবুক থেকে লগ আউট করেননি অথবা জরুরি ও গোপনীয় কোনো ই-মেইল পাঠাচ্ছিলেন অমনি লগ আউট করার আগেই বিদ্যুৎবিভ্রাট বা এমনও হতে পারে, বিদ্যুতের সমস্যা না, সমস্যা হলো আপনি কোন কোন ওয়েবসাইটে যাচ্ছেন সেটা ব্রাউজার হিস্টোরি থেকে কেউ দেখে নিক তা চাইছেন না।
তাহলে কী করতে পারেন? ভাবছেন ইশ, ব্রাউজিংয়ে যদি আরেকটু প্রাইভেসি থাকত। হ্যাঁ, আপনি চাইলেই যেকোনো কম্পিউটারে, যেকোনো ওয়েব ব্রাউজারে প্রাইভেট ব্রাউজিং করতে পারেন খুব সহজেই।
  • মোজিলা ফায়ারফক্সের ক্ষেত্রে এ জন্য ব্রাউজার খুলে Ctrl+Shift+P একসঙ্গে চেপে ধরতে হবে। তাহলে নতুন উইন্ডো আসবে।
  • সেখান থেকে Start Private Browsing সিলেক্ট করে দিলেই হবে।
তবে মনে রাখবেন, প্রাইভেট ব্রাউজিং সিলেক্ট করে দেওয়া মাত্র ফায়ারফক্সের আগের উইন্ডো বন্ধ হয়ে নতুন উইন্ডো খুলে যাবে।
  • গুগল ক্রোমের ক্ষেত্রে একসঙ্গে Ctrl+Shift+N চাপতে হবে অথবা wrench বাটনে চাপতে হবে।
  • এবার New Incognito Window সিলেক্ট করে দিতে হবে।
  • তাহলে প্রাইভেট ব্রাউজিংয়ের জন্য নতুন উইন্ডো খুলবে।
  • মাইক্রোসফট ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের জন্য একসঙ্গে Ctrl+Shift+P চেপে ধরুন।
  • এবার সিলেক্ট করে দিন।
  • তাহলেই নতুন উইন্ডো খুলবে প্রাইভেট ব্রাউজিংয়ের জন্য।
আজ এই পর্যন্ত সবাই কে অনেক ধন্যবাদ

আপনি কি নিশ্চিত যে আপনার ই-মেইলের পাসওয়ার্ড কেউ জানে না? আসুন পরিক্ষা করে দেখে নেই

আপনার মেইলের পাসওয়ার্ড কেউ হয়তো জেনে গেছে এবং সে মাঝেমধ্যে আপনার মেইল ঠিকানায় প্রবেশ করে। অথবা আপনার মেইল ঠিকানাটি হ্যাকিং হয়ে গিয়েছিল, কোনোভাবে হয়তো পুনরায় উদ্ধার করতে পেরেছেন। এখন কীভাবে জানবেন কে আপনার মেইল ঠিকানায় প্রবেশ করেছিল অর্থাৎ কোন আইপি ঠিকানা থেকে আপনার মেইল ঠিকানায় প্রবেশ করা হয়েছিল?
  • জিমেইলের ক্ষেত্রে : প্রথমে জিমেইল ঠিকানায় লগইন করে সবার নিচে Last account activity এর ডান পাশে Details-এ ক্লিক করুন। নতুন একটি পেইজ আসবে। সেখানে আপনার কম্পিউটারের বর্তমান আইপি ঠিকানা এবং গত ১০ বার কখন, কত তারিখ, কোন আইপি ঠিকানা (দেশের নামসহ) থেকে আপনার জিমেইলে প্রবেশ করা হয়েছে, সবগুলোর তালিকা আসবে। আপনি যদি সব সময় একই কম্পিউটার থেকে লগইন করে থাকেন এবং একই কোম্পানির ইন্টারনেট ব্যবহার করে থাকেন, তাহলে আইপি ঠিকানার চারটি অংশের মধ্যে প্রথম দুটি অংশের ঠিকানা একই থাকবে। তখন যদি দেখেন ভিন্ন কোনো আইপি থেকে বা ভিন্ন কোনো সময়ে আপনার মেইলে প্রবেশ করা হয়েছিল এবং ওই আইপি ঠিকানা সম্পর্কে যদি বিস্তারিত জানতে চান তাহলে আইপি ঠিকানাটি কপি করে নিচের দেয়া ঠিকানায় গিয়ে টেক্সটবক্সে পেস্ট করে IP Whois বাটনে ক্লিক করুন। তাহলে জানতে পারবেন ওই আইপি ঠিকানাটি কোন সার্ভিস প্রোভাইডারের, তাদের ঠিকানা, মেইল ঠিকানা, ফোন নম্বর ইত্যাদি। এমনকি একটি মানচিত্রের সাহায্যেও দেখানো হবে কোন জায়গা থেকে ওই আইপি ঠিকানার সার্ভিস দেওয়া হচ্ছে।
জিমেইরের জন্য 
  • ইয়াহুর ক্ষেত্রে : প্রথমে ইয়াহু মেইলে লগইন করে আপনার নামের ওপর ক্লিক করে Account Information নির্বাচন করুন। পাসওয়ার্ড দিতে বললে পুনরায় পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন। এখন নতুন পেইজ এলে বাঁ পাশ থেকে Sign-In and Security এর সবার নিচের View your recent login activity-তে ক্লিক করুন। নতুন পেইজ এলে দেখতে পাবেন আপনার কম্পিউটারের বর্তমান আইপি ঠিকানা এবং গত ১০ বার কোন দেশ থেকে, কত তারিখ, কতটার সময়, ব্রাউজার না ইয়াহু মেসেঞ্জার দিয়ে আপনার মেইলে প্রবেশ করা হয়েছে এবং তখন কী কী কাজ করা হয়েছে। ডান পাশে Location থেকে IP Address নির্বাচন করে দিলে দেখতে পাবেন কোন কোন আইপি ঠিকানা থেকে আপনার অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করা হয়েছে। এবং নিচে View More-এ ক্লিক করলে গত ২০ বার কোন কোন আইপি ঠিকানা থেকে আপনার অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করা হয়েছে, তা-ও দেখতে পাবেন। আপনি যদি সব সময় একই কম্পিউটার থেকে লগইন করে থাকেন এবং একই কোম্পানির ইন্টারনেট ব্যবহার করে থাকেন, তাহলে আইপি ঠিকানার চারটি অংশের মধ্যে প্রথম দুটি অংশের ঠিকানা একই থাকবে। তখন যদি দেখেন ভিন্ন কোনো আইপি থেকে বা ভিন্ন কোনো সময়ে আপনার মেইলে প্রবেশ করা হয়েছিল এবং ওই আইপি ঠিকানা সম্পর্কে যদি বিস্তারিত জানতে চান তাহলে আইপি ঠিকানাটি কপি করে নিচের দেয়া ঠিকানায় গিয়ে টেক্সটবক্সে পেস্ট করে IP Whois বাটনে ক্লিক করুন। তাহলে জানতে পারবেন ওই আইপি ঠিকানাটি কোন সার্ভিস প্রোভাইডারের, তাদের ঠিকানা, মেইল ঠিকানা, ফোন নম্বর ইত্যাদি। এমনকি একটি মানচিত্রের সাহায্যেও দেখানো হবে কোন জায়গা থেকে ওই আইপি ঠিকানার সার্ভিস দেওয়া হচ্ছে। ইয়াহু মেইলের বিভিন্ন ভার্সন আছে যেমন ক্ল্যাসিক, বিটা ইত্যাদি। তাই বিভিন্ন ভার্সনে এই অপশনগুলো বিভিন্ন জায়গায় থাকতে পারে।
ইয়াহুর জন্য 


ধন্যবাদ

খুজে বের করুন আপনার বন্ধুর আইপি এড্রেস, স্কাইপ এ কথা বলার সময়।

সবাই কেমন আছেন? আশা করি ভালই আছেন। আজকে আপনাদের মাঝে আলোচনা করবো, কিভাবে আপনি আপনার বন্ধুর আইপি এড্রেস জেনে নিবেন, এবং তা কে চমকে দিবেন। কিংবা ট্রেস করে তার ঠিকানা খুজে বের করবেন। তো চলুন, দেখে নেই কিভাবে আমরা কাজটি করবো।


এর জন্য প্রথমে, স্কাইপ এ লগ ইন করতে হবে।
এর পর কাউকে কল করে কথা বলতে থাকুন।
এখন টাস্কবার থেকে, টাস্ক ম্যানেজার টি ওপেন করুন।
এখন নিচের চিত্র এর মত লাল মার্ক এ ক্লিক করুন


এখন দেখুন ভিন্ন একটি উইন্ড ওপেন হয়েছে।
এখন আবারো স্ক্রিনশট দেখুন, এবং এটার মোত করে কাজ করুন।

এখানে চিত্রে দেখানে লাল নির্দেশনায় ক্লিক করুন।
সিপিউ ট্যাব এ স্কাইপ ডট ইএক্সি ফাইলটি সিলেক্ট করুন।
এর পর দেখুন নিচে অনেক গুলো আইপি এড্রেসস যাচ্ছে।
এখানে যে আইপি এড্রেস এর পাশে বেশি ডাটা শো করছে, সেটিই আপনার বন্ধুর আইপি।
এখন আপনি আইপি ট্রেস করে আপনার বন্ধুর অবস্থান সনাক্ত করতে পারবেন।

সবাই ভালো থাকবেন।

তো কেমন লাগলো জানাতে ভুলবেন না। আশা করি ভালো লেগেছে।

অ্যাডোবি ফ্ল্যাশপ্লেয়ারের মাধ্যমে হ্যাক হতে পারে আপনার কম্পিউটার

কম্পিউটার ও নেটওয়ার্কের নিরাপত্তাবিষয়ক সংস্থা সিম্যানটেক পার্সোনাল কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের এক সতর্কতা জারি করেছে। তারা জানিয়েছে, ফ্ল্যাশ প্লেয়ার ব্যবহার করে আপনার পিসির নিয়ন্ত্রণ নিতে পারে হ্যাকাররা। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে এনডিটিভি।

 

ফ্ল্যাশ প্লেয়ারের নির্মাতা অ্যাডব বিষয়টিকে স্বীকার করেছে এবং একে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছে। আক্রমণকারীরা ক্ষতিকর কোড চালিয়ে ফ্ল্যাশ প্লেয়ারের দুর্বলতার সুযোগে কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিতে পারে।
সিম্যানটেক জানিয়েছে, এ সমস্যা মোকাবিলায় আপগ্রেড করতে হবে অ্যাডব ফ্ল্যাশ। অন্যথায় পিসির ফ্ল্যাশ প্লেয়ারকে ডিজঅ্যাবল করে রাখলেও হবে।
অ্যাডব জানিয়েছে, তারা সমস্যাটা ধরতে পেরেছে এবং এর সমাধানও বের করেছে। এখন ব্যবহারকারীদের উচিত ফ্ল্যাশ প্লেয়ার আপডেট করে নেওয়া।
দীর্ঘদিন ধরেই ফ্ল্যাশ প্লেয়ার ব্যবহার করে হ্যাকাররা কম্পিউটারের ক্ষতি করছে। বহু কম্পিউটার হ্যাকিংয়ের ঝুঁকির জন্যও এটি দায়ী।
যেভাবে ফ্ল্যাশ ডিজঅ্যাবল করবেন :
আপনার কম্পিউটারের ব্রাউজার যদি হয় গুগল ক্রোম তাহলে অ্যাড্রেস বারে ‘chrome://plugins’ টাইপ করে ইন্টার চাপুন। এরপর সেখানের তালিকা থেকে ফ্ল্যাশ খুঁজে বের করে তা ডিজঅ্যাবল করুন।
ফায়ারফক্স ব্যবহারকারীরা ব্রাউজারের মেনু থেকে ‘Add-ons’ খুঁজে বের করুন। সেখানে প্লাগইন ট্যাব থেকে খুঁজে বের করে এটি ডিজঅ্যাবল করুন।
ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার ব্যবহারকারীরা Tools থেকে Manage Add-ons-এ ক্লিক করুন। এখান থেকেই শকওয়েভ ফ্ল্যাশ ডিজঅ্যাবল করতে পারবেন।
.................................ধন্যবাদ সবাইকে .................................

আসুন শক্তিশালী একটি বোম Virus তৈরী করি।

সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি । আশা করি সকলে ভালো আছেন । আজ আপনাদের Fork Boam Virus তৈরীর পদ্ধতি শেখাব ।
অনেকে হয়ত জানেন । এইটা খুব-খুব সহজ । বলতে পারেন পানির মতো সহজ । অতিরিক্ত কথা না বলে চলুন সরাসরি কাজে যাওয়া যায় ।
                                               শুধুমাত্র নিচের পদ্ধতি অনুসরন করুনঃ

»» »» কার্যপদ্ধতি «« ««
১। প্রথমে আপনার আপনার কম্পিউটারের নোটপ্যাড ওপেন করুন এবং এই কোডগুলো লিখুন (%0|%0)
২। এবার এটাকে .bat ফরমাটে save করুন । save করার সময় .txt মাছে ফেলুন ।
e.g : fork.bat
[ওপেন করবেন না ]
৩। ভাইরাস তৈরী সম্পন্ন হল ।
এখন যদি কেউ এই ফাইলটাকে দুই বার ক্লিক করে তাহলে তার কম্পিউটারের সিস্টেম Jamm হয়ে যাবে এবং Crash করবে ।
.
»» »» NOTE «« ««
১। এখন এই ফাইলটাকে আপনার victim এর কাছে mail ও অন্যান্য মাধ্যমে পাঠাতে করতে পারবেন ।
২। কখনে .bat এই ফরম্যাটের ফাইল ওপেন করবেন না ।

যদি কখনো আপনে নিজে নিজেই এটা স্বীকার হয়ে থাকেন বা যদি ভুলবসত বা কারো দ্বারা এই virus এর স্বীকার হয়ে থাকেন তাহলে নিচের পদ্ধতি অনুসরন করুনঃ আপনার কম্পিউটার ওপেন করার সাথে সাথে এই কিওয়ার্ডগুলো চাপুন (Press ctrl + alt + delete key) এরপর Task Manager ওপেন করুন এবার Processes Tab এ ক্লিক করুন ও fork.bat এই রকম ফাইল খুজুন । এবার ফাইলটার উপর মাউস রেখে End Process বাটনে ক্লিক করুন ।
আপনার কাজ শেষ ।
 
Copyright © 2016. টেক ডট বিডি - All Rights Reserved
Powered by SCS