সর্বশেষ পোস্ট:
print this page
Showing posts with label ইন্টারনেট. Show all posts
Showing posts with label ইন্টারনেট. Show all posts

কোন রকম সফট্যওয়্যার ছাড়া আপনার পিসির নেট স্পিড দ্বিগুন বাড়িয়ে নিন।

আশা করি সকলে ভাল আছেন।  আমরা মোটামুটি অনেকেই কম্পিউটার ব্যাবহার করি। আর কম্পিউটার সম্পর্কে আপনাদের অনেকেরই অনেক ঙ্গান আছে। যদি এ টিউনটি আপনার জানা থাকে তবে আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত।
আমরা পিসি ব্যাবহার কারীরা পিসি চালানোর সময় আমরা সম্মুখীন হয় পিসির স্পিড সমস্যার সাথে। অনেক সময় দেখা যাই যে নেট চলাকালীন অথবা কোন পোগ্রামীং এর কাজ করার সময়ই পিসি অনেক স্লো হয়ে যাই। আজ আমি আপনাদের দেখাব কিভাবে আপনি নেট স্পীড দিগুন করবেন কোন Softwere ছারা। তো চলুন নিচের মত কাজ শুরু করুন।
 
প্রথমে Computer–রাইট বাটন এ ক্লিক করে mange এ জান। এরপর Device Manager এ জান। Ports(com &LPT) তে ক্লিক করে আপনার Modem এর নাম দেকতে পারবেন। এরপর properties জান।
Port Setting এ জান-Bits per second -Data bits এসব বাড়িয়ে দিন। Ok পরের Port আর বেলায় ও এ
কাজ করুন। Computer Restart দিন।
ব্যাস তারপর আপনার কম্পিউটার চালু করুন এবং মজিলা বা অন্য কোন ব্রাউজার দিয়ে নেট কানেক্ট করুন। আর তারপর স্পিড দেখুন। আশা করি আগের তুলনায় বেশি স্পিড পাবেন।
আশা করি আপনারা সঠিকভাবে টিউনটি বুঝতে পেরেছেন। যদি কোন সমস্যা হয় তাহলে টিউনমেন্ট করবেন। আর যদি কোন ভুল হয় তাহলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। আজ এ পর্যন্তই।
 
সবাই ভালো থাকবেন  

ই-মেলের নিরাপত্তা বাড়াবেন কীভাবে

সবাই কে জানায়  অনেক শুভেচ্ছ। আজকে আমরা জানবো যে কী ভাবে ই-মেলের নিরাপত্তা বাড়ানো যায়। ই-মেল হল একটা পোস্টকার্ডের মতো যার তথ্য অন্যরা জেনে ফেলতে পারে৷ আপনি আপনার মেলবক্স থেকে সব মুছে ফেললেও মেল সার্ভারে তা ব্যাকআপ হিসেবে জমা থেকে যায়৷ আবার এই ব্যাক আপ যারা তত্ত্বাবধান করেন তাদের মাধ্যমে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য অন্যদের জেনে যাওয়ার একটি সম্ভবনা থেকে যায়৷



যখন কোনও ই-মেল একটা সার্ভার থেকে অন্য সার্ভারে স্থানান্তরিত হয় তখন অনেকগুলি ধাপ অতিক্রম করতে হয় এবং এই ধাপগুলি অতিক্রম করার সময় অন্য ব্যক্তি তা জেনে ফেলতে পারে৷ তাই মেলের মাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্য আদান প্রদান করবেন না৷

‘‘আপনি লক্ষাধিক টাকার লটারি জিতেছেন’’ – এজাতীয় লোভনীয় ই-মেলের ফাঁদে পড়ে উত্তর দিতে গিয়ে বহু মানুষ প্রতারিত হয়েছেন৷ ফাঁদে পড়বেন না৷ এগুলিকে উপেক্ষা করুন এবং প্রতারণা হিসেবেই বিবেচনা করুন৷ অনেক সময় অজানা ঠিকানা থেকে বিনামূল্যের উপহারের লোভ দেখিয়ে ই-মেলে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য জেনে নেওয়ার জন্য ফাঁদ পাতা হয়৷

সাধারণভাবে প্রতারকরা ই-মেলে ঠিকানা চুরি করে নানা ধরনের প্রলোভন দেখিয়ে ভুয়া মেল পাঠায়; আপনি তাতে অংশগ্রহণ করলে বিশেষ বিশেষ কৌশলে তারা আপনার ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করে নেয়৷

.........................................ধন্যবাদ...................................

আপনার ইন্টারনেটের গতি বাড়ান 20% পর্যন্ত…..

প্রথমেই bdrong visitor দের জানাই আমার আন্তরিক সালাম ও শুভেচ্ছা
কেমন আছেন আপনারা সবাই……..
ভাল নিশ্চয়ই ……..
আবার আপনাদের সামনে হাজির হলাম নতুন tune নিয়ে
আপনার ইন্টারনেটের গতি বাড়ান 20% পর্যন্ত…..

প্রথমে run এ যান.
টাইপ করুন “gpedit.msc”
তারপর –> Local Computer Policy
তারপর–> Computer Configuration
তারপর–> Administrative Templates
তারপর–> Network
তারপর–> QOS Packet Scheduler
তারপর–> Limit Reservable Bandwidth.
Limit Reservable Bandwidth Option এ Duble click করুন
Reservable bandwidth টি ENABLE করে 80 % এর যায়গায় 0% করে দিন
কাজ শেষ……………

এখন আপনার মডেম টি Disconnect করে আবার কানেক্ট করুন আর ব্যাবহার করুন 20% দ্রুতগতির Internet………

ইমেইল কি ? এবং কিভাবে ইমেইল অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হয়?

ইমেইল কি ?  আমরা অনেকেই এখনো জানিনা ইমেইল কি ? এর দারা আমরা কি কি করতে পারি? তাই জারা এখনো জানিনা তাদের জন্য আমার এই পোস্ট। বেশি কথা না বলে অল্পতে আপনাদের বুঝানোর চেষ্টা করবো ইমেইল কি এবং এর দারা আপনি কি কি করতে পারবেন ?  (এবং এই পোস্ট এর ধারাবাহিকতায় থাকবে কিভাবে ইন্টারনেট ব্যাবহার করে নানা রকম কাজ করা যায়) ইমেইল হোল এক ধরনের Online free services যার মাদ্ধমে আপনি আপনার পরিচিত অন্য আরেক জনের  ইমেইলে আপনার লেখা বার্তা পেরন করতে পারবেন, যেমন আগের দিনে আমরা কারো কাছে চিঠি পাঠাতাম কিন্তু এখন এই চিঠির কাজ করা হয় এই ইমেইলের মাধ্যমে তবে এর কার্যকারিতা খুবি দ্রুত। আপনি যখন কারো কাছে ইমেইল করবেন তখন আপনি এর সাথে আপনার ছবি বা অন্য কোন ফাইল এর সাথে পাঠিয়ে দিতে পারবেন বিশ্বের যে কোন প্রান্তরে, মাত্র কয়েক মিনিটের মদ্ধে।আর এটাই হোল ইমেইলে সবচাইতে বড় পাওয়া। আপনার প্রবাসে থেকে তোলা ছবি মাত্র কয়েক মিনিটে পৌঁছে যাবে আপনার নিজের দেশে প্রিয় জনের কাছে। এবং এই ইমেইল ID বা ইমেইল Address দিয়ে আপনি আপনার বন্ধুদের সাথে ইন্টারনেটের মাধ্যমে একদম ফ্রিতে ভিডিও দেখে কথা বলতে পারবেন এবং আরো অনেক ধরনের সেবা গ্রহন করতে পারবেন যেমনঃ Facebook ,yahoo messanger,skype ইত্যাদি ইত্যাদি ইত্যাদি। 


ইমেইল কত প্রকার? – বাজারে আমাদের চাহিদা মেটানোর জন্য অনেক কোম্পানি রয়েছে যারা একদম ফ্রীতে আপনাদের এই সেবা প্রদান করে থাকে ।কাজেই আমি আপনাদের শুধু অধিক বেবহ্রিত ইমেইল কোম্পানি গুলোর নাম এবং কি ভাবে আপনি আপনার নিজের জন্য একটি ইমেইল এড্রেস খুলতে পারবেন তা শেখাবো। ইমেইল কোম্পানি গুলোর মধ্যে সব চাইতে নাম করা বহুল প্রচলিত হচ্ছে Hot-mail,Yahoo-mail & Gmail.

 উপরে আমরা ইমেইল সম্পর্কে মোটামুটি ধারনা নিলাম এবার আমরা শিখবো কিভাবে আপনি আপনার নিজের জন্য একটি ইমেইল তৈরি করবেন এবং পরে এর মাদ্ধমে ছবি পাঠানো,ভিডিও কল করা,Facebook এর মাদ্ধমে নতুন নতুন অনলাইনে বন্ধু বানানো এবং আরো অনেক কিছু। বিদ্রঃ আমার কাছে Gmail টাই সবচাইতে বেশি ভালো লাগে ।
তাই এখন আপনাদের দেখাবো যে কী ভাবে একটি ভেরীফাই একান্ট তৈরী করতে হয়। 
এর জন্য  প্রথমে এই  E-Mail Account পেজে যান এবং ভালো ভাবে পুরাটাই পড়ুন।

জিপি মডেমের একটা কমোন সমস্যা ও তার সমাধান।(দেখুন কাজে লাগতে পারে)

আশা করি সবাই ভালো আছেন। আমার দেখা এখন অধিকাংশ মানুষই গ্রামীনফোনের মডেম ব্যবহার করছে। আমি যেদিন প্রথম জিপির মডেমটা দেখলাম সেদিন মডেমটা মোটামুটি ভালো লাগলো কিন্তু মডেমটির একটা জিনিষ আমার খুবই অপছন্দ হয়েছে। আর সেটা হলো অটোমেটিক গ্রামীনফোনের ওয়েব সাইটে ঢোকা। মানে যখন মডেমটা পিসিতে লাগিয়ে কানেক্ট বাটনে ক্লীক করলেই কানেক্ট হওয়ার পর অটোমেটিক internet.grameenphone.com ওপেন হয়। যতবারই ইন্টারনেট কানেক্ট করবেন ততবারই ঐ ওয়েব সাইটা চালু হয়। এটা একটা যন্ত্রনার চেয়ে কম নয়। আপনারা ইচ্ছা করলে এই ঝামেলা থেকে খুব সহজেই মুক্তি পেতে পারেন।


এজন্য নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুনঃ

১. জিপির সফটওয়্যারটি চালু করুন।
২. Tools থেকে Options এ যান।
৩. General Tab এ Startup যান।
৪. সেখানে Launch internet.grameenphone.com when connect to internet থেকে টিক mark টি তুলে দিন।
৫. ব্যাস কাজ শেষ।

কাজে লাগলে বা কমেন্টস করতে ভুলবেন না যেন।

মোবাইল সিমের নতুন যুগ নিয়ে আসছে ই-সিম


মোবাইল সিমের নতুন যুগ নিয়ে আসছে ই-সিম 

জিএসএম স্ট্যান্ডার্ডের আবির্ভাবের পর থেকেই মোবাইল ফোনের একটি অত্যাবশ্যকীয় উপাদান হিসেবে স্থান করে নিয়েছে সিম কার্ড। মোবাইল অপারেটরের সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে মূলত এই সিম কার্ডই মূল ভূমিকা পালন করে চলেছে। এটিই মূলত মোবাইল গ্রাহকের মূল পরিচিতি যন্ত্রাংশ হিসেবে কাজ করে থাকে। তবে এতদিনে এসে বোধহয় সেই সিম কার্ডের প্রয়োজনীয়তা ফুরোলো। ‘ই-সিম’ শীর্ষক নতুন এক স্ট্যান্ডার্ড সিম কার্ডকেও ভার্চুয়াল করে তোলার কথা জানিয়েছে। সিম কার্ডের বিকল্প এই প্রযুক্তি নিয়ে জানাচ্ছেন তরিকুর রহমান সজীব

কম্পিউটার, মোবাইল ফোন থেকে শুরু করে সব ধরনের প্রযুক্তি পণ্য এবং সেবার মূল লক্ষ্যই হলো মানুষের জীবনযাত্রাকে আরও সহজ এবং ঝামেলামুক্ত করে তোলা। একটা সময়ে ল্যান্ড ফোনের বহুল ব্যবহার থাকলেও তাই যোগাযোগ মাধ্যমকে আরও বেশি সহজ ও স্বচ্ছন্দ্য করে তুলতে আবির্ভাব ঘটে মোবাইল ফোনের। মোবাইল ফোনে মোবাইল অপারেটর কর্তৃক গ্রাহকের পরিচয় সূচক যে ডিভাইস ব্যবহূত হয়ে থাকে সেটিই মূলত সিম (সাবস্ক্রাইবার আইডেনটিটি মডিউল) কার্ড। সিডিএমএ স্ট্যান্ডার্ডে ফিজিক্যাল কোনো সিম কার্ড ব্যবহূত না হয়ে মোবাইল হ্যান্ডসেটেই অপারেটরের এসব পরিচয় সূচক তথ্যগুলো পাঞ্চ করা থাকে। সেক্ষেত্রে নির্দিষ্ট মোবাইল হ্যান্ডসেটেকে একটি মোবাইল অপারেটরের সেবাই ব্যবহার করা যায়। জিএসএম স্ট্যান্ডার্ড এসে এই প্রবণতা বদলে দেয়। এই স্ট্যান্ডার্ডে মোবাইল হ্যান্ডসেটে ফিজিক্যাল একটি সিম কার্ড স্থাপনের স্লট তৈরি করা হয়। আর সিম কার্ডটি মোবাইল অপারেটরগুলো নিজেদের মতো করে তৈরি করে দেয়। ফলে জিএসএম সেবা প্রদান করে এমন যেকোনো অপারেটরের সিম কার্ডই ব্যবহার করা যায় জিএসএম সমর্থিত মোবাইল হ্যান্ডসেটে। জিএসএম স্ট্যান্ডার্ড আবির্ভাবের পর থেকে এটিই বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে বেশি ব্যবহূত মোবাইল স্ট্যান্ডার্ড হিসেবে ব্যবহূত হয়ে আসছে।
জিএসএম স্ট্যান্ডার্ড প্রচলনের পর থেকেই সিম কার্ডের ব্যবহার শুরু। একটা সময় পর্যন্ত এই সিম কার্ডের আকার বড় থাকলেও ক্রমে এর আকার ছোট হতে শুরু করে মোবাইল ডিভাইসে ব্যবহারের সুবিধার্থে। দিন দিন মোবাইল হ্যান্ডসেটের আকার ছোট হতে শুরু করলে এবং আধুনা স্মার্টফোনের যুগে এসে মোবাইল হ্যান্ডসেটগুলো স্লিম হওয়ার প্রতিযোগিতা শুরু করলে এতে ব্যবহূত প্রতিটি যন্ত্রাংশকেই ক্ষুদ্র ফর্ম ফ্যাক্টরে তৈরির প্রবণতা শুরু হয়। সেইসাথে শুরু হয় সিম কার্ডের আকার ছোট হওয়া। এই হিসেবে বর্তমানে সবচেয়ে ক্ষুদ্র আকারের সিম কার্ড হিসেবে ব্যবহূত হয়ে আসছে ন্যানো সিম, যাতে মূলত সিম কার্ডের মূল চিপটিই থাকে। এবারে ফিজিক্যাল সিম কার্ডের এই ব্যবহারই শেষ হতে চলেছে। বিশ্বের শীর্ষ দুই মোবাইল হ্যান্ডসেট নির্মাতা অ্যাপল এবং স্যামসাংয়ের উদ্যোগেই মূলত সিম কার্ডের বিকল্প হিসেবে চালু হতে চলেছে ‘ই-সিম’। ভবিষ্যতের স্মার্টফোনগুলোকে তারা এই ই-সিম ব্যবহারের উপযোগী করে তৈরি করার পরিকল্পনার কথাই জানিয়েছে।
ই-সিম কী?
ই-সিম বা ইলেক্ট্রনিক সিম হলো মোবাইল যোগাযোগের নতুন একটি স্ট্যান্ডার্ড। জিএসএম স্ট্যান্ডার্ডের উদ্ভাবক জিএসএম অ্যাসোসিয়েশনই মূলত নতুন এই মোবাইল যোগাযোগ স্ট্যান্ডার্ড নিয়ে কাজ শুরু করেছে। এই স্ট্যান্ডার্ডে মোবাইল হ্যান্ডসেটগুলোকে ফিজিক্যাল সিম কার্ডের বদলে ব্যবহার করা হবে এমবেডেড সিম। এমবেডেড হওয়ার অর্থ হলো মোবাইল হ্যান্ডসেট থেকে এই সিম কখনই খুলে ফেলা যাবে না এবং তার দরকারও হবে না। এর কারণ হলো—মোবাইল অপারেটরগুলো এই স্ট্যান্ডার্ড সমর্থন করলে এই সিম থেকে একটি কল করার মাধ্যমেই পরিবর্তন করে ফেলা যাবে মোবাইল অপারেটর। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, এখন হয়তো আপনি একটি মোবাইল হ্যান্ডসেটে গ্রামীণফোনের সিম ব্যবহার করে থাকেন। এখন আপনাকে বাংলালিংকের মোবাইল সেবা ব্যবহার করতে হলে গ্রামীণফোনের সিম কার্ডটি খুলে ফেলে বাংলালিংকের একটি সিম কার্ড প্রবেশ করাতে হবে। মোবাইল হ্যান্ডসেটে ই-সিম ব্যবহূত হলে যেকোনো সময় একটি কল করে বা একটি এসএমএস পাঠিয়েই নির্দিষ্ট কোনো মোবাইল অপারেটরের সেবা গ্রহণ করা যাবে। কম ঝামেলায় মোবাইল হ্যান্ডসেটে একাধিক মোবাইল অপারেটরের সেবা গ্রহণের জন্য হ্যান্ডসেটগুলোকে একসাথে দুইটি বা তিনটি সিম ব্যবহারের সুবিধাও চালু রয়েছে। ই-সিম আসলে মোবাইল হ্যান্ডসেটে এমন একাধিক সিমের জন্য বাড়তি জায়গা খরচের প্রয়োজনও হবে না।
মোবাইল হ্যান্ডসেট বা অন্যান্য প্রযুক্তি পণ্য নির্মাতারাও ই-সিম স্ট্যান্ডার্ডকেই সুবিধাজনক মনে করছেন। কেননা, ইন্টারনেট অব থিংসের এই যুগে এসে এখন মোবাইল ফোনের বাইরেও নানা ধরনের কানেক্টেড ডিভাইস তৈরি করা হচ্ছে। ই-সিমের ব্যবহার শুরু হলে মোবাইল হ্যান্ডসেটের বাইরেও এসব ডিভাইসে সহজেই ই-সিম ব্যবহার করার সুযোগ তৈরি হবে এবং এতে করে কানেক্টেড এসব ডিভাইসেও মোবাইল অপারেটরগুলোর ভ্যালু অ্যাডেড সেবা গ্রহণ করা যাবে।
সব অপারেটরের জন্য ই-সিম
জিএসএম স্ট্যান্ডার্ডের মতো ই-সিম স্ট্যান্ডার্ড নিয়েও কাজ করছে জিএসএম অ্যাসোসিয়েশন। সকল হ্যান্ডসেট নির্মাতা এবং মোবাইল অপারেটরের সাথেই তারা এই স্ট্যান্ডার্ড নিয়ে কাজ করছে। ফলে সকল মোবাইল নির্মাতা ও মোবাইল অপারেটরের জন্য এটি সার্বজনীন স্ট্যান্ডার্ড হিসেবে কাজ করবে। তবে এই স্ট্যান্ডার্ডকে কাজে লাগিয়ে বিশেষায়িত ই-সিম তৈরিও সম্ভব। যেমন—এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারকে লক্ষ্য করে অ্যাপলের আইপ্যাডে ব্যবহারের উপযোগী অ্যাপল সিম তৈরির পরিকল্পনার কথা জানা গেছে অ্যাপলের কাছ থেকে। তবে প্রযুক্তিগত দিক থেকে ই-সিম জিএসএম স্ট্যান্ডার্ডকেই সমর্থন করবে বলে জানা গেছে।
গ্রাহকদের সুবিধা
ই-সিমের বড় সুবিধাটির কথা আগেই বলা হয়ে গেছে। এই সিম ব্যবহারের ফলে মোবাইল অপারেটর বদল করার জন্য গ্রাহককে কোনো বাড়তি ঝামেলা পোহাতে হবে না। অনেক দেশেই মোবাইল অপারেটরদের সাথে গ্রাহকদের বিভিন্ন মেয়াদের চুক্তি থাকে। ই-সিম ব্যবহারের ফলে এ ধরনের চুক্তিতেও যেতে হবে না গ্রাহকদের। আবার ডিভাইস বদলের ক্ষেত্রেও ঝামেলা কমবে গ্রাহকদের। এখন হয়তো আপনার হ্যান্ডসেটটি মাইক্রো সিম সমর্থন করে। আপনার নতুন ডিভাইস ন্যানো সিম সমর্থন করলে মাইক্রো সিমকে ন্যানো সিমে রূপান্তর করতে হবে। আর আপনার বর্তমান হ্যান্ডসেট ন্যানো সিম এবং নতুন হ্যান্ডসেট মাইক্রো সিম সমর্থন করলে আপনাকে সিমটিই নতুন করে সংগ্রহ করতে হবে অপারেটরের কাছ থেকে। ই-সিম প্রবর্তিত হলে সেক্ষেত্রে নতুন হ্যান্ডসেটটিকে রেজিস্ট্রেশন করে নিলেই ঝামেলা শেষ।


    ....................................................সবাই কে অনেক ধন্যবাদ............................................. 
 
Copyright © 2016. টেক ডট বিডি - All Rights Reserved
Powered by SCS